শ্রীনগরে যুবদলের দুই নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যুবদলের দুই নেতার ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শ্রীনগর উপজেলা যুবদলের আয়োজনে উপজেলার বাইপাস বাগবাড়ি এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রীনগর উপজেলার জমজম টাওয়ারের সামনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শুরুর আগে উপজেলা যুবদলের নেতা রনি ও শাহাদাত বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা কয়েকজন নেতাকর্মী তাদের উদ্দেশে উসকানিমূলক কথাবার্তা বলতে শুরু করেন।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, এর প্রতিবাদ করায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে রনি ও শাহাদাতের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। হামলায় শাহাদাতের হাত ভেঙে যায় এবং রনির মাথা ফেটে যায় বলে দাবি করা হয়।
তাদের রক্ষা করতে শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ একই এলাকার বাবু নামে এক যুবক এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন যুবদলের নেতারা। এ সময় বাবুর মাথায় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় এবং পুলিশ কর্মকর্তাও আহত হন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
আহতরা প্রাণ বাঁচাতে একটি দোকানে আশ্রয় নিলে দোকানদারকেও মারধর এবং দোকানের মালামাল লুটপাটের অভিযোগ করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহত চারজনকে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, পরবর্তীতে আলোচনা সভা শুরু হলে কয়েকজন বক্তা মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম হাফিজুল ইসলাম খানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেন।
সংবাদ সম্মেলনে এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান যুবদলের নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আশরাফ মিলন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জেলা বিএনপির সদস্য শামীম খান বাতেন

























