ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ :

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম ১৮০ দিনের সময়কে সমস্যা চিহ্নিত করার পর্যায় হিসেবে দেখা হয়েছে। এ সময়ে শিক্ষা খাতের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আয়োজিত কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে হলে প্রচলিত ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করতে হবে। কিউএস র‍্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে শুধু উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতার বদলে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেও তুলনামূলক মূল্যায়নের সুযোগ থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এতদিনেও কেন পিএইচডি কার্যক্রম আরও বিস্তৃতভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে এ বিষয়ে যথেষ্ট উদ্যোগ না নেওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের সমালোচনা করেন তিনি।

গবেষণার ক্ষেত্রেও দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, বাংলাদেশের অনেক গবেষক নিজেদের মেধা ও জ্ঞান দিয়ে বিদেশের বিভিন্ন দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছেন। অথচ দেশের ভেতরে থাকা এসব মেধাবী গবেষককে যথাযথভাবে খুঁজে বের করে কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

এটিকে নিজেদের ব্যর্থতা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের গবেষক ও মেধাবীদের কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম ১৮০ দিনের সময়কে সমস্যা চিহ্নিত করার পর্যায় হিসেবে দেখা হয়েছে। এ সময়ে শিক্ষা খাতের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আয়োজিত কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে হলে প্রচলিত ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করতে হবে। কিউএস র‍্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে শুধু উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতার বদলে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেও তুলনামূলক মূল্যায়নের সুযোগ থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এতদিনেও কেন পিএইচডি কার্যক্রম আরও বিস্তৃতভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে এ বিষয়ে যথেষ্ট উদ্যোগ না নেওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের সমালোচনা করেন তিনি।

গবেষণার ক্ষেত্রেও দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, বাংলাদেশের অনেক গবেষক নিজেদের মেধা ও জ্ঞান দিয়ে বিদেশের বিভিন্ন দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছেন। অথচ দেশের ভেতরে থাকা এসব মেধাবী গবেষককে যথাযথভাবে খুঁজে বের করে কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

এটিকে নিজেদের ব্যর্থতা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের গবেষক ও মেধাবীদের কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।