ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০৬ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ঐতিহ্যের গৌরবের পাশাপাশি গবেষণা ও অবকাঠামো উন্নয়নের নতুন চ্যালেঞ্জ

নিজস্ব সংবাদ :

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং মুক্তচিন্তার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আজ ১০৬ বছরে পদার্পণ করেছে। প্রায় এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং সর্বশেষ গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক অধ্যায়ে নেতৃত্ব ও প্রেরণার উৎস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এই বিদ্যাপীঠ।

১৯২১ সালের ১ জুলাই তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনামলে পূর্ববঙ্গের মানুষের উচ্চশিক্ষার দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের লক্ষ্যে রাজধানীর রমনা এলাকায় প্রায় ৬০০ একর জায়গাজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্বাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা থেকেই এর যাত্রা শুরু। সে সময় তিনটি অনুষদ—কলা, বিজ্ঞান ও আইন—এবং ১২টি বিভাগ নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিকের শিক্ষার্থী ছিল ৮৪৭ জন, শিক্ষক ছিলেন ৬০ জন এবং আবাসিক হল ছিল মাত্র তিনটি।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টি অনেক বিস্তৃত হয়েছে। এখন এখানে রয়েছে ১৩টি অনুষদ, ৮৪টি বিভাগ, ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৫৭টি গবেষণা ব্যুরো ও কেন্দ্র, ১৯টি আবাসিক হল এবং ৪টি হোস্টেল। শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৭ হাজারের বেশি। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষক, এক হাজারের বেশি কর্মকর্তা এবং প্রায় তিন হাজার কর্মচারী।

তবে অগ্রগতির পাশাপাশি নানা সীমাবদ্ধতারও মুখোমুখি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। দীর্ঘদিন ধরে আবাসন সংকট, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, পুরোনো শ্রেণিকক্ষ ও গবেষণাগার, শিক্ষার্থীর তুলনায় সীমিত সুযোগ-সুবিধা এবং সেবার আধুনিকায়নের ঘাটতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। পাশাপাশি আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির প্রভাব, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের স্থবিরতা এবং কিছু শিক্ষকের একাডেমিক কার্যক্রমের বাইরে অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকার অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১ হাজার ৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে। তবে গবেষণা খাতে বরাদ্দ এখনো তুলনামূলক কম। এ খাতে প্রস্তাবিত বরাদ্দ ২১ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ২ দশমিক ০৩ শতাংশ। আগের অর্থবছরেও গবেষণার জন্য বরাদ্দের হার ছিল প্রায় একই, ২ দশমিক ০৮ শতাংশ।

এসব সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত QS World University Rankings 2027-এ বিশ্বের শীর্ষ ৬০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে টানা তৃতীয়বারের মতো স্থান করে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ভবিষ্যতের লক্ষ্য সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২০ বছর মেয়াদি ঢাকা ইউনিভার্সিটি একাডেমিক প্ল্যান (ডিইউএপি) ২০২৬-২০৪৬ প্রণয়ন করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বার্ষিক সিনেট অধিবেশনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এ পরিকল্পনার ঘোষণা দেন। পাঁচ ধাপে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত এই মহাপরিকল্পনার উদ্দেশ্য শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সংস্কার এনে ২০৪৬ সালের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া শুভেচ্ছা বার্তায় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং অভিভাবকদের শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষা ও গবেষণার আধুনিকায়নে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন।

এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’। এ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সকাল সাড়ে ৯টায় বিভিন্ন হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোভাযাত্রা নিয়ে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে সমবেত হবেন। পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করবে।

সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের পায়রা চত্বরে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি কেক কাটা হবে। অনুষ্ঠানে সংগীত বিভাগের পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত, বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং এবং রবীন্দ্র ও নজরুলসংগীত পরিবেশিত হবে। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় টিএসসি মিলনায়তনে প্রতিপাদ্য বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জ্ঞানচর্চার অন্যতম ধারক-বাহক। ভবিষ্যতেও প্রতিষ্ঠানটি যোগ্য নেতৃত্ব, মানবিক মূল্যবোধ এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের বাস্তবতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সময়োপযোগী শিক্ষাক্রম প্রণয়ন অপরিহার্য। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আধুনিক শিক্ষা ও গবেষণাভিত্তিক নতুন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

১০৬ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ঐতিহ্যের গৌরবের পাশাপাশি গবেষণা ও অবকাঠামো উন্নয়নের নতুন চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় ০২:৩৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং মুক্তচিন্তার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আজ ১০৬ বছরে পদার্পণ করেছে। প্রায় এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং সর্বশেষ গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক অধ্যায়ে নেতৃত্ব ও প্রেরণার উৎস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এই বিদ্যাপীঠ।

১৯২১ সালের ১ জুলাই তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনামলে পূর্ববঙ্গের মানুষের উচ্চশিক্ষার দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের লক্ষ্যে রাজধানীর রমনা এলাকায় প্রায় ৬০০ একর জায়গাজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্বাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা থেকেই এর যাত্রা শুরু। সে সময় তিনটি অনুষদ—কলা, বিজ্ঞান ও আইন—এবং ১২টি বিভাগ নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিকের শিক্ষার্থী ছিল ৮৪৭ জন, শিক্ষক ছিলেন ৬০ জন এবং আবাসিক হল ছিল মাত্র তিনটি।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টি অনেক বিস্তৃত হয়েছে। এখন এখানে রয়েছে ১৩টি অনুষদ, ৮৪টি বিভাগ, ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৫৭টি গবেষণা ব্যুরো ও কেন্দ্র, ১৯টি আবাসিক হল এবং ৪টি হোস্টেল। শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৭ হাজারের বেশি। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষক, এক হাজারের বেশি কর্মকর্তা এবং প্রায় তিন হাজার কর্মচারী।

তবে অগ্রগতির পাশাপাশি নানা সীমাবদ্ধতারও মুখোমুখি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। দীর্ঘদিন ধরে আবাসন সংকট, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, পুরোনো শ্রেণিকক্ষ ও গবেষণাগার, শিক্ষার্থীর তুলনায় সীমিত সুযোগ-সুবিধা এবং সেবার আধুনিকায়নের ঘাটতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। পাশাপাশি আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির প্রভাব, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের স্থবিরতা এবং কিছু শিক্ষকের একাডেমিক কার্যক্রমের বাইরে অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকার অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১ হাজার ৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে। তবে গবেষণা খাতে বরাদ্দ এখনো তুলনামূলক কম। এ খাতে প্রস্তাবিত বরাদ্দ ২১ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ২ দশমিক ০৩ শতাংশ। আগের অর্থবছরেও গবেষণার জন্য বরাদ্দের হার ছিল প্রায় একই, ২ দশমিক ০৮ শতাংশ।

এসব সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত QS World University Rankings 2027-এ বিশ্বের শীর্ষ ৬০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে টানা তৃতীয়বারের মতো স্থান করে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ভবিষ্যতের লক্ষ্য সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২০ বছর মেয়াদি ঢাকা ইউনিভার্সিটি একাডেমিক প্ল্যান (ডিইউএপি) ২০২৬-২০৪৬ প্রণয়ন করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বার্ষিক সিনেট অধিবেশনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এ পরিকল্পনার ঘোষণা দেন। পাঁচ ধাপে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত এই মহাপরিকল্পনার উদ্দেশ্য শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সংস্কার এনে ২০৪৬ সালের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া শুভেচ্ছা বার্তায় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং অভিভাবকদের শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষা ও গবেষণার আধুনিকায়নে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন।

এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’। এ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সকাল সাড়ে ৯টায় বিভিন্ন হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোভাযাত্রা নিয়ে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে সমবেত হবেন। পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করবে।

সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের পায়রা চত্বরে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি কেক কাটা হবে। অনুষ্ঠানে সংগীত বিভাগের পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত, বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং এবং রবীন্দ্র ও নজরুলসংগীত পরিবেশিত হবে। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় টিএসসি মিলনায়তনে প্রতিপাদ্য বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জ্ঞানচর্চার অন্যতম ধারক-বাহক। ভবিষ্যতেও প্রতিষ্ঠানটি যোগ্য নেতৃত্ব, মানবিক মূল্যবোধ এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের বাস্তবতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সময়োপযোগী শিক্ষাক্রম প্রণয়ন অপরিহার্য। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আধুনিক শিক্ষা ও গবেষণাভিত্তিক নতুন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।