ঢাকা ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে নয়, শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব সংবাদ :

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিটি ধাপে সরকারপক্ষের শরিক ও মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার (২০ জুলাই) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে রাজনৈতিক শরিক ও মিত্র জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর শীর্ষ নেতাদের নিয়ে এই আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের একসঙ্গে পেয়ে বৈঠকে আন্তরিক ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল বলেও জানান মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে শরিকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক সমন্বয় জোরদার করা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, সরকার এখন জনস্বার্থে বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে মনোযোগ দিচ্ছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ ও মতবিনিময়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও আশ্বস্ত করেন, যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ‘৩১ দফা’ সংস্কার কর্মসূচি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে প্রণীত ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, যেহেতু নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না, তাই প্রতিটি নির্বাচনী পর্যায়ে শরিক দলগুলোর অবস্থান, সম্ভাবনা ও বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল শরিক দলগুলোর সঙ্গে প্রথম বড় পরিসরের আনুষ্ঠানিক বৈঠক। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বৈঠক সরকার ও মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে নয়, শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০২:৫১:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিটি ধাপে সরকারপক্ষের শরিক ও মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার (২০ জুলাই) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে রাজনৈতিক শরিক ও মিত্র জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর শীর্ষ নেতাদের নিয়ে এই আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের একসঙ্গে পেয়ে বৈঠকে আন্তরিক ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল বলেও জানান মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে শরিকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক সমন্বয় জোরদার করা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, সরকার এখন জনস্বার্থে বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে মনোযোগ দিচ্ছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ ও মতবিনিময়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও আশ্বস্ত করেন, যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ‘৩১ দফা’ সংস্কার কর্মসূচি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে প্রণীত ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, যেহেতু নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না, তাই প্রতিটি নির্বাচনী পর্যায়ে শরিক দলগুলোর অবস্থান, সম্ভাবনা ও বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল শরিক দলগুলোর সঙ্গে প্রথম বড় পরিসরের আনুষ্ঠানিক বৈঠক। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বৈঠক সরকার ও মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।