ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, বাতিল পৌনে দুই লাখ

কাগজের খবর ডেস্ক:

মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট। একই সময়ে আরও হাজারো ব্যক্তির ভ্রমণ ও অভিবাসন-সংক্রান্ত বিভিন্ন সুবিধাও বাতিল করা হয়েছে।

দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ব্যাপকভাবে অভিবাসন দমন অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর আওতায় হাজার হাজার মানুষের ভ্রমণ ও অভিবাসন সুবিধা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিসা লঙ্ঘন, জালিয়াতি, সহিংসতার আহ্বান এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অন্যান্য হুমকির পাশাপাশি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সংঘর্ষের কারণেই বেশিরভাগ ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতি অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ভিসার বড় একটি অংশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিভুক্ত অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এসব অপরাধের মধ্যে হামলা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো বা ডিইউআই, চুরি এবং মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ উল্লেখযোগ্য।

এ ছাড়া বেপরোয়া গাড়ি চালানো, যৌন নিপীড়ন, শিশু নির্যাতন, জালিয়াতি ও আত্মসাতের মতো গুরুতর অভিযোগেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

অর্থাৎ শুধু ভিসার কাগজপত্র বা অভিবাসন-সংক্রান্ত অনিয়ম নয়, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কোনো ব্যক্তির অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও ভিসা বাতিলের কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ধারাবাহিক যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের ফলস্বরূপ এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো, ভিসাধারীরা যাতে তাঁদের ভিসার শর্তাবলি মেনে চলেন এবং আমেরিকানদের বিপদে ফেলেন না, সেটি নিশ্চিত করা।

এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভিসাধারীদের বিরুদ্ধে নতুন কোনো তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া গেলে তা পর্যালোচনা করা হয়। কেউ ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করলে কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের জননিরাপত্তা ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ফলে একবার ভিসা পাওয়ার পর সেটি পুরো মেয়াদে বহাল থাকবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। পরবর্তী সময়ে কোনো ব্যক্তির কর্মকাণ্ড বা পরিস্থিতি বদলে গেলে তার ভিসা বাতিল হতে পারে

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, বাতিল পৌনে দুই লাখ

আপডেট সময় ০৭:২৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট। একই সময়ে আরও হাজারো ব্যক্তির ভ্রমণ ও অভিবাসন-সংক্রান্ত বিভিন্ন সুবিধাও বাতিল করা হয়েছে।

দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ব্যাপকভাবে অভিবাসন দমন অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর আওতায় হাজার হাজার মানুষের ভ্রমণ ও অভিবাসন সুবিধা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিসা লঙ্ঘন, জালিয়াতি, সহিংসতার আহ্বান এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অন্যান্য হুমকির পাশাপাশি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সংঘর্ষের কারণেই বেশিরভাগ ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতি অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ভিসার বড় একটি অংশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিভুক্ত অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এসব অপরাধের মধ্যে হামলা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো বা ডিইউআই, চুরি এবং মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ উল্লেখযোগ্য।

এ ছাড়া বেপরোয়া গাড়ি চালানো, যৌন নিপীড়ন, শিশু নির্যাতন, জালিয়াতি ও আত্মসাতের মতো গুরুতর অভিযোগেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

অর্থাৎ শুধু ভিসার কাগজপত্র বা অভিবাসন-সংক্রান্ত অনিয়ম নয়, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কোনো ব্যক্তির অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও ভিসা বাতিলের কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ধারাবাহিক যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের ফলস্বরূপ এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো, ভিসাধারীরা যাতে তাঁদের ভিসার শর্তাবলি মেনে চলেন এবং আমেরিকানদের বিপদে ফেলেন না, সেটি নিশ্চিত করা।

এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভিসাধারীদের বিরুদ্ধে নতুন কোনো তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া গেলে তা পর্যালোচনা করা হয়। কেউ ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করলে কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের জননিরাপত্তা ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ফলে একবার ভিসা পাওয়ার পর সেটি পুরো মেয়াদে বহাল থাকবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। পরবর্তী সময়ে কোনো ব্যক্তির কর্মকাণ্ড বা পরিস্থিতি বদলে গেলে তার ভিসা বাতিল হতে পারে