ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত: রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ থাকবে শপিংমল ও মার্কেট

নিজস্ব সংবাদ :

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। রাত ৮টার পর এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে।

বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে জারি করা এক স্মারকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব মো. মামুন ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত স্মারকে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

জরুরি সেবাগুলো থাকবে নির্দেশনার বাইরে

তবে সাধারণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের এ সময়সীমা খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ওষুধের দোকান এবং অন্যান্য জরুরি সেবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। এসব প্রতিষ্ঠান আগের মতোই প্রয়োজন অনুযায়ী চালু রাখা যাবে।

সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বিলবোর্ড বন্ধ

নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে বিদ্যুতের অপচয় কমানো সম্ভব হয়।

মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও সময়সীমা

দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান বা নতুন করে আয়োজন করা মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও একই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে। এসব আয়োজন রাত ৮টার মধ্যেই শেষ করতে হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারের মূল লক্ষ্য

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামগ্রিক বিদ্যুৎ ব্যবহারে চাপ কমানো, সাশ্রয় নিশ্চিত করা এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনা ১২ আগস্ট থেকেই কার্যকর বলে স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে।

এক নজরে নতুন নির্দেশনা

  • শপিংমল, মার্কেট ও দোকান খোলা থাকবে: সকাল ১১টা – রাত ৮টা
  • আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করতে হবে: সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে
  • অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা: সম্পূর্ণ বন্ধ
  • মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে: রাত ৮টার মধ্যে
  • হাসপাতাল, ওষুধের দোকান ও অন্যান্য জরুরি সেবা: নির্দেশনার বাইরে

সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে কিছু পরিবর্তন এলেও বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা স্থিতিশীল রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে.

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত: রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ থাকবে শপিংমল ও মার্কেট

আপডেট সময় ০২:৫৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। রাত ৮টার পর এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে।

বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে জারি করা এক স্মারকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব মো. মামুন ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত স্মারকে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

জরুরি সেবাগুলো থাকবে নির্দেশনার বাইরে

তবে সাধারণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের এ সময়সীমা খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ওষুধের দোকান এবং অন্যান্য জরুরি সেবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। এসব প্রতিষ্ঠান আগের মতোই প্রয়োজন অনুযায়ী চালু রাখা যাবে।

সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বিলবোর্ড বন্ধ

নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে বিদ্যুতের অপচয় কমানো সম্ভব হয়।

মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও সময়সীমা

দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান বা নতুন করে আয়োজন করা মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও একই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে। এসব আয়োজন রাত ৮টার মধ্যেই শেষ করতে হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারের মূল লক্ষ্য

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামগ্রিক বিদ্যুৎ ব্যবহারে চাপ কমানো, সাশ্রয় নিশ্চিত করা এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনা ১২ আগস্ট থেকেই কার্যকর বলে স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে।

এক নজরে নতুন নির্দেশনা

  • শপিংমল, মার্কেট ও দোকান খোলা থাকবে: সকাল ১১টা – রাত ৮টা
  • আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করতে হবে: সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে
  • অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা: সম্পূর্ণ বন্ধ
  • মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে: রাত ৮টার মধ্যে
  • হাসপাতাল, ওষুধের দোকান ও অন্যান্য জরুরি সেবা: নির্দেশনার বাইরে

সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে কিছু পরিবর্তন এলেও বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা স্থিতিশীল রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে.