ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফুরিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ৮০ শতাংশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, ‘ভয়ে’ ইরানে হামলা চালাচ্ছেন না ট্রাম্প

নিজস্ব সংবাদ :

‘ভয়ে’ ইরানে হামলা চালাচ্ছেন না ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা থাডের মজুতের প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যবহার হয়ে গেছে বলে দাবি করেছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন। এ কারণেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে বারাবার হামলা চালানোর হুমকি দিলেও তা থেকে সরে আসেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী যুদ্ধের আগের তুলনায় থাড ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতের প্রায় পাঁচ ভাগের চার ভাগ ব্যবহার করেছে। একই সময়ে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টরও ব্যবহার করা হয়েছে।

এর আগে রয়টার্স ও সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনেও বলা হয়েছিল, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দূরপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশ্বিক মজুতেরও বড় একটি অংশ ব্যবহার করেছে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে দুজন সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে যে পরিমাণ থাড ইন্টারসেপ্টর ছিল, তার প্রায় চার-পঞ্চমাংশ (৮০ শতাংশ) ব্যবহৃত হয়ে গেছে। একই সময়ে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টরও খরচ হয়েছে।

সিএনএন জানিয়েছে, অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর পক্ষ থেকে ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কা—এই দুই বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্য করে পরিকল্পিত বড় ধরনের হামলা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেন।

তবে অস্ত্রের মজুত সংকট নিয়ে উদ্বেগের সঙ্গে একমত নয় পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউস।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কৌশলগত লক্ষ্য পূরণের জন্য পর্যাপ্ত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মজুত রয়েছে।

তার ভাষ্য, এই সক্ষমতা প্রয়োজনের চেয়েও বেশি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ফুরিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ৮০ শতাংশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, ‘ভয়ে’ ইরানে হামলা চালাচ্ছেন না ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৬:০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা থাডের মজুতের প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যবহার হয়ে গেছে বলে দাবি করেছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন। এ কারণেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে বারাবার হামলা চালানোর হুমকি দিলেও তা থেকে সরে আসেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী যুদ্ধের আগের তুলনায় থাড ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতের প্রায় পাঁচ ভাগের চার ভাগ ব্যবহার করেছে। একই সময়ে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টরও ব্যবহার করা হয়েছে।

এর আগে রয়টার্স ও সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনেও বলা হয়েছিল, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দূরপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশ্বিক মজুতেরও বড় একটি অংশ ব্যবহার করেছে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে দুজন সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে যে পরিমাণ থাড ইন্টারসেপ্টর ছিল, তার প্রায় চার-পঞ্চমাংশ (৮০ শতাংশ) ব্যবহৃত হয়ে গেছে। একই সময়ে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টরও খরচ হয়েছে।

সিএনএন জানিয়েছে, অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর পক্ষ থেকে ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কা—এই দুই বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্য করে পরিকল্পিত বড় ধরনের হামলা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেন।

তবে অস্ত্রের মজুত সংকট নিয়ে উদ্বেগের সঙ্গে একমত নয় পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউস।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কৌশলগত লক্ষ্য পূরণের জন্য পর্যাপ্ত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মজুত রয়েছে।

তার ভাষ্য, এই সক্ষমতা প্রয়োজনের চেয়েও বেশি।