ঢাকা ০১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুনর্বাসন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সহায়তা অব্যাহত থাকবে: বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকারের প্রতিশ্রুতি

নিজস্ব সংবাদ :

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সরকারের সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আশ্বাস দেন। ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আগে মন্ত্রী বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

তিনি জানান, সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় সাত লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় এক লাখ মানুষের কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য চাল, রান্না করা খাবার ও শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে পুনর্বাসন কার্যক্রমও ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং অনেক এলাকায় মেরামতের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বাঁশখালী আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী, বাঁশখালী মহিলা দলের সভাপতি সারাবান তাহুরা ফেরদৌসী কলিসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম সফল করতে সরকার, প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পুনর্বাসন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সহায়তা অব্যাহত থাকবে: বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকারের প্রতিশ্রুতি

আপডেট সময় ০৬:১৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সরকারের সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আশ্বাস দেন। ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আগে মন্ত্রী বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

তিনি জানান, সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় সাত লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় এক লাখ মানুষের কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য চাল, রান্না করা খাবার ও শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে পুনর্বাসন কার্যক্রমও ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং অনেক এলাকায় মেরামতের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বাঁশখালী আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী, বাঁশখালী মহিলা দলের সভাপতি সারাবান তাহুরা ফেরদৌসী কলিসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম সফল করতে সরকার, প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।