ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ: রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দেশজুড়ে শ্রদ্ধা ও স্মরণ

নিজস্ব সংবাদ :

আজ ৫ আগস্ট, ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার ব্যাপক আন্দোলনের মুখে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। দিনটির তাৎপর্য স্মরণে সরকার দেশব্যাপী সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও বিভাগীয় ও জেলা শহরের প্রধান সড়ক, সরকারি স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশানে সজ্জিত করা হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও পেশাজীবী সংগঠনও নিজ নিজ উদ্যোগে দিবসটি পালন করছে।

দিবসের শুরুতে সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর উদ্বোধন করবেন। পরে বেলা ১১টায় রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাইযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া পৃথক বাণীতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তারা বীর জুলাইযোদ্ধা এবং দেশপ্রেমিক নাগরিকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে শহীদদের রুহের মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার ৫ আগস্টকে জাতীয় দিবস এবং ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন দেশ-বিদেশে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ বা ‘জুলাই বিপ্লব’ নামে পরিচিতি লাভ করে এবং এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ: রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দেশজুড়ে শ্রদ্ধা ও স্মরণ

আপডেট সময় ০২:৫২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

আজ ৫ আগস্ট, ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার ব্যাপক আন্দোলনের মুখে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। দিনটির তাৎপর্য স্মরণে সরকার দেশব্যাপী সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও বিভাগীয় ও জেলা শহরের প্রধান সড়ক, সরকারি স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশানে সজ্জিত করা হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও পেশাজীবী সংগঠনও নিজ নিজ উদ্যোগে দিবসটি পালন করছে।

দিবসের শুরুতে সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর উদ্বোধন করবেন। পরে বেলা ১১টায় রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাইযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া পৃথক বাণীতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তারা বীর জুলাইযোদ্ধা এবং দেশপ্রেমিক নাগরিকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে শহীদদের রুহের মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার ৫ আগস্টকে জাতীয় দিবস এবং ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন দেশ-বিদেশে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ বা ‘জুলাই বিপ্লব’ নামে পরিচিতি লাভ করে এবং এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।