সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক নিজেদের মধ্যে নতুন সামরিক চুক্তি করেছে। শুক্রবার সৌদি আরবে ‘মক্কা চুক্তি’ নামে এ চুক্তিটি হয়। এতে বলা হয়ছে, এই তিন দেশের কারও ওপর যদি কোনো হামলা হয় তাহলে এটিকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যবস্থা পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ‘আর্টিকেল-৫’ নীতির সঙ্গে তুলনীয়।
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার আল-সাফা প্রাসাদে আয়োজিত এক বৈঠকে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান (সিডিএফ) ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এবং সৌদি আরব ও তুরস্কের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, চুক্তির আওতায় তিন দেশের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে সামরিক বা নিরাপত্তা সহযোগিতার নির্দিষ্ট কাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
চুক্তির ফলে পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান, ন্যাটো সদস্য ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্পসমৃদ্ধ তুরস্ক এবং তেলসমৃদ্ধ প্রভাবশালী রাষ্ট্র সৌদি আরব সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতার নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করল।
মক্কা চুক্তি স্বাক্ষরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের এক আইনপ্রণেতা বলেছেন, এই চুক্তি সৌদি আরবকে নিরাপত্তা দেবে না। যদি তারা নিরাপত্তা চায় তাহলে তাদের নীতি পরিবর্তন করতে হবে।


























