অভিনয়ে ফিরছেন প্রীতি জিনতা
আট বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। নতুন সিনেমায় অভিনয়ের অভিজ্ঞতা, দীর্ঘ বিরতির কারণ এবং শুটিংয়ে ফেরার প্রথম দিনের অনুভূতি নিয়ে সম্প্রতি খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।
প্রীতি জানান, অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও এই সময়টাতে অভিনয়কে একবারও মিস করেননি। কারণ, তার পুরো মনোযোগ ছিল পরিবার ও সন্তানদের লালন-পালনে।
১৯৪৭ সালের দেশভাগের প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এ একজন মুসলিম নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রীতি। সিনেমায় তার স্বামীর ভূমিকায় রয়েছেন সানি দেওল। গল্পে দেখা যাবে, দাঙ্গার সময় তারা নিজেদের লাহোরের বাড়িতে এক হিন্দু নারীকে আশ্রয় দেন
প্রীতির মতে, মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা তাকে চরিত্রটি গভীরভাবে উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছে। তিনি বলেন, ‘এ কারণেই সিনেমাটির সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করতে পেরেছি। এখন ২০২৬ সাল হলেও আমার কাছে পরিবারের গুরুত্ব সবার আগে। তাহলে ভাবুন, ১৯৪৭ সালে মানুষের কাছে পরিবারের মূল্য কতটা ছিল। সেই সময়ের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে চরিত্রটিকে বুঝতে পেরেছি।’
আট বছর পর ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো সহজ ছিল না বলেও স্বীকার করেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, পরিচালক রাজকুমার সন্তোষী শুটিংয়ের প্রথম দিনে সিনেমার সবচেয়ে কঠিন আবেগঘন দৃশ্যটি ধারণ করার সিদ্ধান্ত নেন।
প্রীতি জানান, পুরো রাত শুটিং চলেছিল। লুক টেস্টের পরদিন দু- একবার সংলাপ পড়ে তারা ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। এরপর ধীরে ধীরে সবকিছু সহজ হয়।
প্রীতি বলেন, ‘প্রথম দিন সবচেয়ে কঠিন দৃশ্যটি রেখে রাজকুমার সন্তোষী যেন আমাকে নির্যাতন করেছিলেন। আমি শুধু সানি দেওলের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। এতটাই নার্ভাস ছিলাম যে কাঁপছিলাম। বুঝতেই পারছিলাম না কী করব। সেই সময় সানি দেওল আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন।’


























