ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমাকে টাকা কামানোর মেশিন হিসেবে ব্যবহার করেছে: পপি

কাগজের খবর ডেস্ক:

সাদিকা পারভিন পপি

জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিকা পারভিন পপি। মিষ্টি হাসি, নিখুঁত অভিনয় আর আবেদনময়ী ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব দ্রুতই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন তিনি। ক্যারিয়ারে বহু উত্থান-পতন দেখলেও দর্শকের হৃদয়ে তার আসন চিরকালই অটুট। বর্তমানে তিনি স্বামী ও সন্তান নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

১৯৯৬ সালে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় তার অভিষেক ঘটে পপির। প্রথম সিনেমাতেই তিনি বাজিমাত করেন।

ক্যারিয়ারের শুরুতে শুটিং স্পট থেকে সবখানে পপির সঙ্গে তার মাকে দেখা যেত। তবে সম্প্রতিক সময়ে জানা যায় মায়ের সঙ্গে তার দূরত্ব চলছে। অভিনেত্রীর মা বিভিন্ন গণমাধ্যমে পপির নামে অভিযোগও করেন।

তবে এর মধ্যে অভিনেত্রী জানালেন সৎমা কখনও আপন হয় না। যার হাত ধরে সিনেমা জগতে এসেছেন তাকে সৎমা বলেই গণমাধ্যমে পরিচয় দিলেন।

পপি বলেন, ‘৩০ বছর কষ্ট করেছি (কান্নাজড়িত কণ্ঠে) কখনও আমার কষ্ট তারা উপলব্ধি করেনি। আমাকে সবসময় টাকা কামানোর মেশিন হিসেবে ব্যবহার করেছে। তাদের চাহিদার শেষ ছিল না। যত পেয়েছে ততই চাহিদা বাড়তো।’

তিনি আরও বলেন, ‘সৎ মার সংসার থেকে যে পরিমাণে আঘাত পেয়েছি সেই ধকল এখনও কাটিয়ে উঠতে পারিনি।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আমাকে টাকা কামানোর মেশিন হিসেবে ব্যবহার করেছে: পপি

আপডেট সময় ০৮:১২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিকা পারভিন পপি। মিষ্টি হাসি, নিখুঁত অভিনয় আর আবেদনময়ী ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব দ্রুতই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন তিনি। ক্যারিয়ারে বহু উত্থান-পতন দেখলেও দর্শকের হৃদয়ে তার আসন চিরকালই অটুট। বর্তমানে তিনি স্বামী ও সন্তান নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

১৯৯৬ সালে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় তার অভিষেক ঘটে পপির। প্রথম সিনেমাতেই তিনি বাজিমাত করেন।

ক্যারিয়ারের শুরুতে শুটিং স্পট থেকে সবখানে পপির সঙ্গে তার মাকে দেখা যেত। তবে সম্প্রতিক সময়ে জানা যায় মায়ের সঙ্গে তার দূরত্ব চলছে। অভিনেত্রীর মা বিভিন্ন গণমাধ্যমে পপির নামে অভিযোগও করেন।

তবে এর মধ্যে অভিনেত্রী জানালেন সৎমা কখনও আপন হয় না। যার হাত ধরে সিনেমা জগতে এসেছেন তাকে সৎমা বলেই গণমাধ্যমে পরিচয় দিলেন।

পপি বলেন, ‘৩০ বছর কষ্ট করেছি (কান্নাজড়িত কণ্ঠে) কখনও আমার কষ্ট তারা উপলব্ধি করেনি। আমাকে সবসময় টাকা কামানোর মেশিন হিসেবে ব্যবহার করেছে। তাদের চাহিদার শেষ ছিল না। যত পেয়েছে ততই চাহিদা বাড়তো।’

তিনি আরও বলেন, ‘সৎ মার সংসার থেকে যে পরিমাণে আঘাত পেয়েছি সেই ধকল এখনও কাটিয়ে উঠতে পারিনি।’