এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা: দ্রুত আসছে সিদ্ধান্ত, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে রাজপথে শিক্ষার্থীরা
বন্যা পরিস্থিতি, জলাবদ্ধতা এবং পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে সৃষ্ট উদ্বেগের মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন পরীক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন তারা।
পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি প্রথমে অনলাইনে এবং পরে সশরীরে বৈঠকে বসেছে। বৈঠকে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, মাঠপর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত সব জায়গায় পরীক্ষা স্থগিত করার মতো পরিস্থিতি নিশ্চিতভাবে দেখা যায়নি। তবে সশরীরে বৈঠকে সব দিক বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি জানান, বিকেল ৪টার মধ্যেই পরীক্ষা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হবে।
এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ছাড়া অন্য সব বোর্ডে নির্ধারিত পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানায়। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করা হয় এবং সংশোধিত সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের বন্যা পরিস্থিতি এবং পরীক্ষার্থীদের উত্থাপিত দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ কারণে সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
রাজধানীতে আন্দোলনের অংশ হিসেবে সকাল থেকে সায়েন্সল্যাব এলাকায় জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। সেখানে সড়ক অবরোধের পর তারা শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থান নেন। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানের পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও জানান আন্দোলনকারীরা।
এখন সবার নজর শিক্ষা বোর্ডের বিকেল ৪টার ঘোষণার দিকে। পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে, নাকি স্থগিত করা হবে—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানার অপেক্ষায় রয়েছেন লাখো পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক।






















