ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের বন্যা মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মাঠে, শুরু উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম

নিজস্ব সংবাদ :

চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের জরুরি অনুরোধের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

শুক্রবার রাতে দেওয়া এক বার্তায় আইএসপিআর জানায়, ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা বন্যাকবলিত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার এবং ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

আইএসপিআরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা দুর্গত বিভিন্ন উপজেলায় কাজ শুরু করেছেন। পাশাপাশি উদ্ধার অভিযানে সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও পাঠানো হয়েছে।

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পাহাড়ধস ও বন্যাজনিত বিভিন্ন ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা। এছাড়া নিম্নচাপের প্রভাবে অতিরিক্ত বৃষ্টিতে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়িতেও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপদ উদ্ধার, জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করতে সেনাবাহিনী স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চট্টগ্রামের বন্যা মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মাঠে, শুরু উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম

আপডেট সময় ০১:১৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের জরুরি অনুরোধের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

শুক্রবার রাতে দেওয়া এক বার্তায় আইএসপিআর জানায়, ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা বন্যাকবলিত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার এবং ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

আইএসপিআরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা দুর্গত বিভিন্ন উপজেলায় কাজ শুরু করেছেন। পাশাপাশি উদ্ধার অভিযানে সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও পাঠানো হয়েছে।

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পাহাড়ধস ও বন্যাজনিত বিভিন্ন ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা। এছাড়া নিম্নচাপের প্রভাবে অতিরিক্ত বৃষ্টিতে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়িতেও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপদ উদ্ধার, জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করতে সেনাবাহিনী স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে