ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“ফুটবল কখনোই জীবনের চেয়ে বড় নয়”-অপূর্ব:

নিজস্ব সংবাদ :

বাংলাদেশের অসংখ্য ব্রাজিল সমর্থকের মতো বিশ্বকাপ থেকে দলের বিদায়ে হতাশ হয়েছেন অনেকেই। তবে কুষ্টিয়ার এক তরুণের মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ঘটনাটি নিয়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব।

জানা গেছে, কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট এলাকার ২১ বছর বয়সী রতন নামে এক তরুণ সোমবার (৬ জুলাই) মারা যান। পরিবারের সদস্যদের দাবি, প্রিয় দল ব্রাজিলের নকআউট পর্বে পরাজয় এবং তা নিয়ে আশপাশের মানুষের কটাক্ষে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। রতন পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন এবং তার দুই মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।

ঘটনার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রতিক্রিয়া জানান অপূর্ব। তিনি লেখেন, এই সংবাদ তাকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। তার ভাষায়, খেলাধুলা মানুষের আনন্দ ও বিনোদনের জন্য। প্রিয় দল জিতলে যেমন আনন্দ হবে, হারলে কষ্ট লাগতেই পারে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই একটি খেলাকে জীবনের চেয়ে বড় করে দেখা উচিত নয়।

অভিনেতা আরও বলেন, ফুটবলে সমর্থকদের মধ্যে ঠাট্টা-তামাশা বা ট্রল নতুন কিছু নয়। তবে সেটি যেন কখনো অপমান, বিদ্রূপ বা মানসিক আঘাতের পর্যায়ে না পৌঁছে। কারণ, যেটি কারও কাছে নিছক মজা, সেটিই অন্য একজনের জন্য গভীর কষ্টের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

সবশেষে তিনি সবাইকে সংযমী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, একটি দল আজ হারলেও ভবিষ্যতে আবার জিততে পারে, নতুন করে শিরোপা অর্জন করতে পারে। কিন্তু একটি জীবন একবার হারিয়ে গেলে তা আর কখনো ফিরে আসে না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

“ফুটবল কখনোই জীবনের চেয়ে বড় নয়”-অপূর্ব:

আপডেট সময় ০৬:০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের অসংখ্য ব্রাজিল সমর্থকের মতো বিশ্বকাপ থেকে দলের বিদায়ে হতাশ হয়েছেন অনেকেই। তবে কুষ্টিয়ার এক তরুণের মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ঘটনাটি নিয়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব।

জানা গেছে, কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট এলাকার ২১ বছর বয়সী রতন নামে এক তরুণ সোমবার (৬ জুলাই) মারা যান। পরিবারের সদস্যদের দাবি, প্রিয় দল ব্রাজিলের নকআউট পর্বে পরাজয় এবং তা নিয়ে আশপাশের মানুষের কটাক্ষে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। রতন পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন এবং তার দুই মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।

ঘটনার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রতিক্রিয়া জানান অপূর্ব। তিনি লেখেন, এই সংবাদ তাকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। তার ভাষায়, খেলাধুলা মানুষের আনন্দ ও বিনোদনের জন্য। প্রিয় দল জিতলে যেমন আনন্দ হবে, হারলে কষ্ট লাগতেই পারে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই একটি খেলাকে জীবনের চেয়ে বড় করে দেখা উচিত নয়।

অভিনেতা আরও বলেন, ফুটবলে সমর্থকদের মধ্যে ঠাট্টা-তামাশা বা ট্রল নতুন কিছু নয়। তবে সেটি যেন কখনো অপমান, বিদ্রূপ বা মানসিক আঘাতের পর্যায়ে না পৌঁছে। কারণ, যেটি কারও কাছে নিছক মজা, সেটিই অন্য একজনের জন্য গভীর কষ্টের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

সবশেষে তিনি সবাইকে সংযমী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, একটি দল আজ হারলেও ভবিষ্যতে আবার জিততে পারে, নতুন করে শিরোপা অর্জন করতে পারে। কিন্তু একটি জীবন একবার হারিয়ে গেলে তা আর কখনো ফিরে আসে না।