ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুন্সীগঞ্জে অপহরণের ৫২ দিন পর হত্যার রহস্য উদঘাটন, ৪ আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব সংবাদ :

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের চাইনপাড়া গ্রামে আওলাদ হোসেন (৬৫) অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাটিচাপা অবস্থায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।


দুপুরে মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয় সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোঃ মেনহাজুল আলম, পিপিএম জানান, গত ৯ মে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন আওলাদ হোসেন। পরদিন তার ভাই সিরাজদিখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর ২৩ মে নিহতের ছোট ভাই বেলায়েত হোসেন বাদী হয়ে অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
তদন্তের একপর্যায়ে প্রথমে মানিক বেপারীকে আটক করা হয়। পরে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে সাইফুল ইসলামকে সাভারের একটি ডেইরি ফার্ম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযানে রিপন ও বিন আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


গ্রেপ্তারকৃতদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, জৈনসার ইউনিয়নের চাইনপাড়ায় একটি গরুর খামারের রান্নাঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় আওলাদ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, জমিজমা স্ত্রী রানী বেগমের নামে লিখে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী আওলাদ হোসেনকে খামারে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয় এবং পরে মরদেহ গোপনে মাটিচাপা দেওয়া হয়।


এ ঘটনায় মানিক বেপারী, সাইফুল ইসলাম, রিপন ও বিন আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মুন্সীগঞ্জে অপহরণের ৫২ দিন পর হত্যার রহস্য উদঘাটন, ৪ আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৯:২৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের চাইনপাড়া গ্রামে আওলাদ হোসেন (৬৫) অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাটিচাপা অবস্থায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।


দুপুরে মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয় সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোঃ মেনহাজুল আলম, পিপিএম জানান, গত ৯ মে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন আওলাদ হোসেন। পরদিন তার ভাই সিরাজদিখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর ২৩ মে নিহতের ছোট ভাই বেলায়েত হোসেন বাদী হয়ে অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
তদন্তের একপর্যায়ে প্রথমে মানিক বেপারীকে আটক করা হয়। পরে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে সাইফুল ইসলামকে সাভারের একটি ডেইরি ফার্ম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযানে রিপন ও বিন আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


গ্রেপ্তারকৃতদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, জৈনসার ইউনিয়নের চাইনপাড়ায় একটি গরুর খামারের রান্নাঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় আওলাদ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, জমিজমা স্ত্রী রানী বেগমের নামে লিখে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী আওলাদ হোসেনকে খামারে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয় এবং পরে মরদেহ গোপনে মাটিচাপা দেওয়া হয়।


এ ঘটনায় মানিক বেপারী, সাইফুল ইসলাম, রিপন ও বিন আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।