ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৩ বছরের অপেক্ষা ঘোচাতে দৃঢ় প্রত্যয় ডুলির, ঘরের মাঠে সাফ শিরোপার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

নিজস্ব সংবাদ :

চারবারের ফাইনালিস্ট হলেও ২০০৩ সালের পর আর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি ছুঁতে পারেনি বাংলাদেশ। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময়ের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাতে এবার আত্মবিশ্বাসী জাতীয় দলের নতুন প্রধান কোচ টমাস ডুলি। তাঁর বিশ্বাস, সঠিক প্রস্তুতি দর্শকদের সমর্থন পেলে ঘরের মাঠেই শিরোপা জয়ের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে পারে।

রোববার ঢাকার একটি হোটেলে জমকালো আয়োজনে আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের অফিসিয়াল লোগো উন্মোচন করা হয়। থেকে ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসরের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেকনোর নামও ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোচ টমাস ডুলি, জাতীয় দলের ডিফেন্ডার তপু বর্মণ এবং ফরোয়ার্ড শেখ মোরছালিন।

হাভিয়ের কাবরেরার বিদায়ের পর বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নেওয়া ডুলির জন্য এটিই হবে প্রথম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, প্রতিটি ম্যাচ জয়ের লক্ষ্য নিয়েই দল মাঠে নামবে। প্রতিপক্ষের নাম বা শক্তি নয়, নিজেদের সেরাটা খেলাই তাঁর মূল লক্ষ্য।

বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের শিরোপাখরা সম্পর্কে অবগত ডুলি মনে করেন, ফুটবলে অসম্ভব বলে কিছু নেই। তাঁর ভাষায়, দল যদি সর্বোচ্চ মনোযোগ আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে পারে, তাহলে এবার ট্রফি নিজেদের ঘরেই রাখা সম্ভব। একই সঙ্গে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে দলকে অনুপ্রাণিত করার আহ্বানও জানান তিনি।

জাতীয় দলের তরুণ ফরোয়ার্ড শেখ মোরছালিনও আশাবাদী। তিনি বলেন, অতিরিক্ত চাপ বা আত্মবিশ্বাস নয়, স্বাভাবিক খেলাটাই খেলতে চান তারা। তবে লক্ষ্য একটাইনিজেদের মাঠে সাফের শিরোপা জিতে সমর্থকদের আনন্দ উপহার দেওয়া।

অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণও ঘরের মাঠের সুবিধাকে বড় শক্তি হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, দর্শকদের সমর্থন খেলোয়াড়দের বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেবে এবং সেটিই হতে পারে বাংলাদেশের অন্যতম বড় অস্ত্র। তিনি বলেন, এবার মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই প্রমাণ করতে হবে বাংলাদেশ শিরোপার যোগ্য দাবিদার।

রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করে দলকে সাহায্য করার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তপু। তাঁর মতে, মূল দায়িত্ব রক্ষণ সামলানো হলেও প্রয়োজন হলে আক্রমণেও অবদান রাখতে তিনি সবসময় প্রস্তুত।

সব মিলিয়ে, নতুন কোচ, ঘরের মাঠের সমর্থন এবং শিরোপা জয়ের প্রবল আকাঙ্ক্ষাএই তিন শক্তিকে সঙ্গে নিয়েই ২৩ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটানোর মিশনে নামছে বাংলাদেশ ফুটবল দল।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

২৩ বছরের অপেক্ষা ঘোচাতে দৃঢ় প্রত্যয় ডুলির, ঘরের মাঠে সাফ শিরোপার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০২:৫৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

চারবারের ফাইনালিস্ট হলেও ২০০৩ সালের পর আর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি ছুঁতে পারেনি বাংলাদেশ। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময়ের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাতে এবার আত্মবিশ্বাসী জাতীয় দলের নতুন প্রধান কোচ টমাস ডুলি। তাঁর বিশ্বাস, সঠিক প্রস্তুতি দর্শকদের সমর্থন পেলে ঘরের মাঠেই শিরোপা জয়ের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে পারে।

রোববার ঢাকার একটি হোটেলে জমকালো আয়োজনে আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের অফিসিয়াল লোগো উন্মোচন করা হয়। থেকে ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসরের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেকনোর নামও ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোচ টমাস ডুলি, জাতীয় দলের ডিফেন্ডার তপু বর্মণ এবং ফরোয়ার্ড শেখ মোরছালিন।

হাভিয়ের কাবরেরার বিদায়ের পর বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নেওয়া ডুলির জন্য এটিই হবে প্রথম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, প্রতিটি ম্যাচ জয়ের লক্ষ্য নিয়েই দল মাঠে নামবে। প্রতিপক্ষের নাম বা শক্তি নয়, নিজেদের সেরাটা খেলাই তাঁর মূল লক্ষ্য।

বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের শিরোপাখরা সম্পর্কে অবগত ডুলি মনে করেন, ফুটবলে অসম্ভব বলে কিছু নেই। তাঁর ভাষায়, দল যদি সর্বোচ্চ মনোযোগ আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে পারে, তাহলে এবার ট্রফি নিজেদের ঘরেই রাখা সম্ভব। একই সঙ্গে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে দলকে অনুপ্রাণিত করার আহ্বানও জানান তিনি।

জাতীয় দলের তরুণ ফরোয়ার্ড শেখ মোরছালিনও আশাবাদী। তিনি বলেন, অতিরিক্ত চাপ বা আত্মবিশ্বাস নয়, স্বাভাবিক খেলাটাই খেলতে চান তারা। তবে লক্ষ্য একটাইনিজেদের মাঠে সাফের শিরোপা জিতে সমর্থকদের আনন্দ উপহার দেওয়া।

অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণও ঘরের মাঠের সুবিধাকে বড় শক্তি হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, দর্শকদের সমর্থন খেলোয়াড়দের বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেবে এবং সেটিই হতে পারে বাংলাদেশের অন্যতম বড় অস্ত্র। তিনি বলেন, এবার মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই প্রমাণ করতে হবে বাংলাদেশ শিরোপার যোগ্য দাবিদার।

রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করে দলকে সাহায্য করার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তপু। তাঁর মতে, মূল দায়িত্ব রক্ষণ সামলানো হলেও প্রয়োজন হলে আক্রমণেও অবদান রাখতে তিনি সবসময় প্রস্তুত।

সব মিলিয়ে, নতুন কোচ, ঘরের মাঠের সমর্থন এবং শিরোপা জয়ের প্রবল আকাঙ্ক্ষাএই তিন শক্তিকে সঙ্গে নিয়েই ২৩ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটানোর মিশনে নামছে বাংলাদেশ ফুটবল দল।