ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০০৬-এর সেই কিশোর থেকে ২০২৬-এর কিংবদন্তি: বিশ্বকাপে মেসির ২০ বছরের মহাকাব্য

নিজস্ব সংবাদ :

মনিরুজ্জামান মনির ,বিশেষ প্রতিবেদক

২০০৬ সালের ১৬ জুন। জার্মানির বিশ্বকাপ মঞ্চে প্রথমবারের মতো নিজের নাম লেখান আর্জেন্টিনার এক কিশোর ফুটবলার। সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে গোল করেছিলেন ১৮ বছর বয়সী লিওনেল মেসি। সেই গোলটি ছিল বিশ্বকাপে তার প্রথম গোল, আর সেদিন থেকেই শুরু হয়েছিল এক দীর্ঘ ও গৌরবময় যাত্রা।

২০ বছর পর, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে এসে সেই কিশোর আজ ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা কিংবদন্তি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১৬-তে উন্নীত করেছেন মেসি। একই সঙ্গে স্পর্শ করেছেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বকালের সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ গোলের রেকর্ড।

মেসির বিশ্বকাপ যাত্রা ছিল সাফল্য, হতাশা ও প্রত্যাবর্তনের এক অনন্য গল্প। ২০০৬ সালে স্বপ্নের সূচনা, ২০১০ সালে গোলশূন্য বিদায়, ২০১৪ সালে দলকে ফাইনালে তুলেও শিরোপা না পাওয়া, ২০১৮ সালে হতাশা—সবকিছুই দেখেছেন তিনি। কিন্তু কখনও হাল ছাড়েননি।

অবশেষে ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে পূরণ হয় তার আজীবনের স্বপ্ন। আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানোর পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ও হন তিনি। অনেকে ভেবেছিলেন সেখানেই শেষ হবে বিশ্বকাপের গল্প। কিন্তু মেসি আবারও ফিরেছেন, আর ২০২৬ বিশ্বকাপেও লিখছেন নতুন ইতিহাস।

বিশ্বকাপের প্রথম গোল থেকে প্রথম হ্যাটট্রিক—দুই দশকের ব্যবধানে মেসির এই যাত্রা শুধু পরিসংখ্যানের নয়, এটি অধ্যবসায়, প্রতিভা ও অদম্য মানসিকতার এক মহাকাব্য। ১৮ বছরের সেই তরুণ আজ কোটি কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা, আর বিশ্বকাপের ইতিহাসে নিজের নাম লিখেছেন সোনালি অক্ষরে।

২০০৬ সালে শুরু হয়েছিল গল্প। ২০২৬-এ এসে সেটি পরিণত হয়েছে কিংবদন্তিতে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

২০০৬-এর সেই কিশোর থেকে ২০২৬-এর কিংবদন্তি: বিশ্বকাপে মেসির ২০ বছরের মহাকাব্য

আপডেট সময় ০৫:২৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

মনিরুজ্জামান মনির ,বিশেষ প্রতিবেদক

২০০৬ সালের ১৬ জুন। জার্মানির বিশ্বকাপ মঞ্চে প্রথমবারের মতো নিজের নাম লেখান আর্জেন্টিনার এক কিশোর ফুটবলার। সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে গোল করেছিলেন ১৮ বছর বয়সী লিওনেল মেসি। সেই গোলটি ছিল বিশ্বকাপে তার প্রথম গোল, আর সেদিন থেকেই শুরু হয়েছিল এক দীর্ঘ ও গৌরবময় যাত্রা।

২০ বছর পর, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে এসে সেই কিশোর আজ ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা কিংবদন্তি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১৬-তে উন্নীত করেছেন মেসি। একই সঙ্গে স্পর্শ করেছেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বকালের সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ গোলের রেকর্ড।

মেসির বিশ্বকাপ যাত্রা ছিল সাফল্য, হতাশা ও প্রত্যাবর্তনের এক অনন্য গল্প। ২০০৬ সালে স্বপ্নের সূচনা, ২০১০ সালে গোলশূন্য বিদায়, ২০১৪ সালে দলকে ফাইনালে তুলেও শিরোপা না পাওয়া, ২০১৮ সালে হতাশা—সবকিছুই দেখেছেন তিনি। কিন্তু কখনও হাল ছাড়েননি।

অবশেষে ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে পূরণ হয় তার আজীবনের স্বপ্ন। আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানোর পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ও হন তিনি। অনেকে ভেবেছিলেন সেখানেই শেষ হবে বিশ্বকাপের গল্প। কিন্তু মেসি আবারও ফিরেছেন, আর ২০২৬ বিশ্বকাপেও লিখছেন নতুন ইতিহাস।

বিশ্বকাপের প্রথম গোল থেকে প্রথম হ্যাটট্রিক—দুই দশকের ব্যবধানে মেসির এই যাত্রা শুধু পরিসংখ্যানের নয়, এটি অধ্যবসায়, প্রতিভা ও অদম্য মানসিকতার এক মহাকাব্য। ১৮ বছরের সেই তরুণ আজ কোটি কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা, আর বিশ্বকাপের ইতিহাসে নিজের নাম লিখেছেন সোনালি অক্ষরে।

২০০৬ সালে শুরু হয়েছিল গল্প। ২০২৬-এ এসে সেটি পরিণত হয়েছে কিংবদন্তিতে।