ঢাকা ০৩:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অতিবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের তাণ্ডব: বন্যা-পাহাড় ধসে প্রাণহানি বেড়ে ৫৪, পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

নিজস্ব সংবাদ :

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যা এবং পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে। একই সঙ্গে অন্তত ৩৯ জন আহত হয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সোমবার (১৩ জুলাই) প্রকাশিত সর্বশেষ পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে বন্যাকবলিত এলাকায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ—এই সাত জেলায় মোট ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

জেলা ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে, যেখানে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জন মারা গেছেন।

দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে ১ হাজার ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করেছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৪২২ জন আশ্রয় নিয়েছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ ও জরুরি সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অতিবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের তাণ্ডব: বন্যা-পাহাড় ধসে প্রাণহানি বেড়ে ৫৪, পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

আপডেট সময় ০৩:১৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যা এবং পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে। একই সঙ্গে অন্তত ৩৯ জন আহত হয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সোমবার (১৩ জুলাই) প্রকাশিত সর্বশেষ পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে বন্যাকবলিত এলাকায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ—এই সাত জেলায় মোট ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

জেলা ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে, যেখানে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জন মারা গেছেন।

দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে ১ হাজার ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করেছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৪২২ জন আশ্রয় নিয়েছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ ও জরুরি সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।