বাজে রেকর্ডের সামনে মায়ামির সবচেয়ে বড় সমস্যাও মেসি
লিওনেল মেসির হতাশা এখন আর লুকানোর মতো নেই। শনিবার টরন্টো এফসির কাছে ইন্টার মায়ামির ২-১ হারের ম্যাচে রদ্রিগো ডি পলকে প্রকাশ্যে ধমক দিতে দেখা গেছে আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে। গত মৌসুমে এমএলএস কাপ জেতানো, গোল্ডেন বুট ও এমভিপি পুরস্কার পাওয়া সেই মায়ামিই এখন টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন। এর মধ্যে তিনটি এমএলএস ও দুটি লিগস কাপের ম্যাচ। ১৩ ম্যাচ হাতে থাকলেও ইস্টার্ন কনফারেন্স ও সাপোর্টার্স শিল্ডের শীর্ষস্থান থেকে মায়ামি পিছিয়ে ১০ পয়েন্টে।
টরন্টোর কাছে হারের পর টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন মায়ামি; ৩৯ বছর বয়সেও মেসি গোল-অ্যাসিস্টে উজ্জ্বল, কিন্তু তার চারপাশের দলই হয়ে উঠছে বড় দুর্বলতা
হাজারো রেকর্ড আছে পক্ষে, বিপক্ষেও গেছে অনেক। কিন্তু এত বাজে সময় আগে কখনও দেখেননি লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের সামনে এমন এক রেকর্ড অপেক্ষা করছে, যা তার ক্যারিয়ারে কখনও হয়নি। বলা চলে, সবচেয়ে বাজে রেকর্ড থেকে মেসি ৯০ মিনিট দূরে।
কিন্তু কি সেই রেকর্ড? ক্যারিয়ারের সবচেয়ে দীর্ঘ জয়হীন ধারার রেকর্ড ছোঁয়ার শঙ্কা রয়েছে মেসির। ইন্টার মিয়ামির হয়ে টানা চার ম্যাচ জয়হীন থাকার পর আগামী শনিবার সিএফ মন্ট্রিয়েলের বিপক্ষে ম্যাচটি তাই আর্জেন্টাইন তারকার জন্য হয়ে উঠছে মহা গুরুত্বপূর্ণ।
মায়ামির আরেকটি বড় সমস্যা তাদের দল গঠনের কৌশল। মেসিকে ঘিরে একের পর এক খেলোয়াড় আনা হলেও দলীয় প্রয়োজন অনুযায়ী ভারসাম্য তৈরি হয়নি। লুইস সুয়ারেজের বয়স ৩৯, রদ্রিগো ডি পলও প্রত্যাশিত পরিবর্তন আনতে পারেননি। আলবা অবসরের পর তার জায়গা পূরণেও মায়ামি সমস্যায়। অথচ প্রয়োজন ছিল আক্রমণাত্মক ফুলব্যাক, দ্রুতগতির মিডফিল্ডার এবং বেঞ্চে তরুণ ও বহুমুখী আক্রমণভাগের খেলোয়াড়।
সাম্প্রতিক নিয়োগগুলোও সেই সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। শীতকালীন দলবদলে প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলারে জার্মান বেরেতেরামেকে আনা হলেও তিনি দ্রুতগতির বা উচ্চ-চাপের ফুটবলে কার্যকর নন। এরপর বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে হতাশাজনক সময় কাটানো কাসেমিরোকে আনা হয়েছে। মায়ামির হয়ে পাঁচ ম্যাচে তিনি মাত্র তিনটি ট্যাকল জিতেছেন, একই সংখ্যকবার বল হারিয়েছেন এবং মাঝমাঠ থেকে তৈরি করেছেন মোট চারটি সুযোগ। একটি আত্মঘাতী গোলের পাশাপাশি দুটি হলুদ কার্ডও দেখেছেন তিনি।


























