সাংবাদিক জুলকারনাইনের ফেসবুক পোস্ট- মাদরাসা ছাত্রদের পৈশাচিক নির্যাতন, অভিযুক্ত চিহ্নিত
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের ওপর নির্মম নির্যাতনের ভিডিও ঘিরে নতুন তথ্য সামনে এসেছে বলে দাবি করেছেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের।
শনিবার (২৬ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ভিডিওতে দেখা যাওয়া ঘটনাটি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফুলগাছতলা এলাকায় অবস্থিত বাবুস সালাম মাদরাসায় ঘটেছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি গত বছরের শেষ দিকে অথবা চলতি বছরের শুরুর দিকে সংঘটিত হয়।
পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভিডিওতে শিশুদের মারধর করতে দেখা যাওয়া ব্যক্তির নাম হাফেজ জাকারিয়া। তার বিরুদ্ধে শুধু শারীরিক নির্যাতনই নয়, মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে বলে স্থানীয়দের বরাত দিয়ে দাবি করেন তিনি।
জুলকারনাইন সায়েরের দাবি, অভিযোগগুলো সামনে এলেও মাদরাসা কর্তৃপক্ষের অনীহা ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর তিনি দেবিদ্বারের ওই মাদরাসা ছেড়ে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার মারকাযুন নুর মাদরাসায় যোগ দিয়েছেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক শিক্ষক লাঠি দিয়ে এক শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করছেন। পরে লাঠি ফেলে চড়-ঘুষিও মারতে দেখা যায় তাকে। একই সময় পাশে থাকা আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীকেও শারীরিকভাবে নির্যাতনের দৃশ্য ভিডিওতে ধরা পড়ে। ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।


























