যুদ্ধের ক্ষত বুকে নিয়েও বাংলাদেশের পাশে ফিলিস্তিন-ইরান, বন্যার্তদের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তা
নিজেদের দেশ যুদ্ধ ও নানা সংকটে বিপর্যস্ত হলেও মানবিক দায়িত্ব পালনে পিছিয়ে থাকেনি ফিলিস্তিন ও ইরান। চট্টগ্রাম ও সিলেটের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তারা দেখিয়েছে আন্তর্জাতিক সংহতি ও মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
শনিবার ঢাকায় অবস্থিত ফিলিস্তিন দূতাবাসের উদ্যোগে এবং ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)-ভুক্ত ১৮টি মুসলিম দেশের যৌথ অংশগ্রহণে বন্যাকবলিত মানুষের জন্য জরুরি খাদ্য সহায়তা পাঠানো হয়েছে। এ কার্যক্রমে ইরান দূতাবাসও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
ত্রাণ কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম ও সিলেটের দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী দুই হাজারের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য বিশেষ ‘রেডি-টু-ইট’ খাদ্য প্যাকেজ প্রস্তুত করা হয়েছে। রান্নার প্রয়োজন হয় না—এমন এসব প্যাকেটে রাখা হয়েছে চাল, চিড়া, মুড়ি, পুষ্টিকর খেজুর, চিনি, লবণ এবং বিশুদ্ধ খাবার পানি, যাতে দুর্গত মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্য সহায়তা পেতে পারেন।
বিশ্বের বিভিন্ন সংকটময় অঞ্চলে চলমান সংঘাতের কারণে ফিলিস্তিন ও ইরান নিজেরাও নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। সেই বাস্তবতার মধ্যেও বাংলাদেশের দুর্যোগকবলিত মানুষের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
এই মানবিক সহায়তার জন্য ফিলিস্তিন দূতাবাস, ইরান দূতাবাস এবং ওআইসি-ভুক্ত অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। দুর্যোগের সময়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও মানবিক সংহতির এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


























