ঢাকা ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশি গবাদিপশুর উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ, মাঠপর্যায়ে নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার

নিজস্ব সংবাদ :

দেশি জাতের গবাদিপশুর উন্নয়ন, খামারের আধুনিকায়ন এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে সরেজমিন তদারকি জোরদার করার কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

মঙ্গলবার সাভারে অবস্থিত কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, খামারে উৎপাদিত নিজস্ব ঘাস গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা ব্যয় কমানোর পাশাপাশি একটি কার্যকর ও ইতিবাচক উদ্যোগ। উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খামারের কার্যক্রম আরও গতিশীল করে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী বাছুর শাখা, ডেইরি ইউনিট, পাবনা ক্যাটল ইউনিট, মীরকাদিম ইউনিট, হলস্টেইন-ফ্রিজিয়ান ইউনিট, কৃত্রিম প্রজনন পরীক্ষাগার, ব্রিডিং বুল ইউনিট এবং শতভাগ আমেরিকান ফ্রিজিয়ান বুল ইউনিট ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি দেশি জাতের গবাদিপশুর উন্নয়ন, পশুখাদ্য উৎপাদন, খামার ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু নথিপত্রের তথ্যের ওপর নির্ভর করলে বাস্তব পরিস্থিতির পুরো চিত্র পাওয়া যায় না। তাই নিয়মিত মাঠপর্যায়ের পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।

তিনি আরও বলেন, অতীতের সীমাবদ্ধতা নিয়ে না ভেবে ভবিষ্যৎ উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। দেশি জাতের গবাদিপশুর মানোন্নয়ন এবং খামার ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করতে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা ও নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।

এ সময় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দেশি গবাদিপশুর উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ, মাঠপর্যায়ে নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার

আপডেট সময় ০২:৫৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

দেশি জাতের গবাদিপশুর উন্নয়ন, খামারের আধুনিকায়ন এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে সরেজমিন তদারকি জোরদার করার কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

মঙ্গলবার সাভারে অবস্থিত কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, খামারে উৎপাদিত নিজস্ব ঘাস গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা ব্যয় কমানোর পাশাপাশি একটি কার্যকর ও ইতিবাচক উদ্যোগ। উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খামারের কার্যক্রম আরও গতিশীল করে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী বাছুর শাখা, ডেইরি ইউনিট, পাবনা ক্যাটল ইউনিট, মীরকাদিম ইউনিট, হলস্টেইন-ফ্রিজিয়ান ইউনিট, কৃত্রিম প্রজনন পরীক্ষাগার, ব্রিডিং বুল ইউনিট এবং শতভাগ আমেরিকান ফ্রিজিয়ান বুল ইউনিট ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি দেশি জাতের গবাদিপশুর উন্নয়ন, পশুখাদ্য উৎপাদন, খামার ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু নথিপত্রের তথ্যের ওপর নির্ভর করলে বাস্তব পরিস্থিতির পুরো চিত্র পাওয়া যায় না। তাই নিয়মিত মাঠপর্যায়ের পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।

তিনি আরও বলেন, অতীতের সীমাবদ্ধতা নিয়ে না ভেবে ভবিষ্যৎ উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। দেশি জাতের গবাদিপশুর মানোন্নয়ন এবং খামার ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করতে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা ও নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।

এ সময় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।