ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ায়, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭

কাগজের খবর ডেস্ক:

ফের ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ায়

সাত দশমিক সাত মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ইন্দোনেশিয়ায় আবারও আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এবার দেশটির উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের পেমাতাংসিয়ান্তার শহরে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে।

শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে দেশটির উত্তর সুমাত্রা প্রদেশে হয়েছে এ ভূমিকম্প। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি বা এপিসেন্টার ছিল উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের অন্যতম বৃহৎ শহর পেমাতাংসিয়ানতার থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং ভূপৃষ্ঠের ১৮৩ দশমিক ২ কিলোমিটার গভীরে।

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা (বেএমকেজি) জানিয়েছে, ভূমিকম্প যেখানে সংঘটিত হয়েছে সেখানকার মানুষ এটি অনুভব করেছেন। তবে এই ভূমিকম্পের প্রভাবে তাক থেকে জিনিসপত্র পড়ে যাওয়া, জানালা ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি ছাড়া বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

শনিবার ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পের উৎসস্থল বা এপিসেন্টর ছিল ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাগরের তলদেশে, ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। বড় ভূমিকম্পের পর ৩৪১টি পরাঘাত বা আফটার শকও হয়েছে। তবে সেসবের মাত্রা কম ছিল।

তীব্র কম্পনের পর উপকূলীয় নাগেওকেও, সিক্কা ও পূর্ব নুসা তেংগারা এলাকায় সমুদ্রের পানি হঠাৎ সরে যেতে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র সুনামি আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দেশটির আবহাওয়া সংস্থা সঙ্গে সঙ্গে সুনামি সতর্কতা জারি করে। পরবর্তীতে সমুদ্রপৃষ্ঠের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বড় কোনো বিপদের আশঙ্কা না থাকায় সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়েছে।

ব্যাপকমাত্রার এই ভূমিকম্পে পূর্ব ইন্দোনেশিয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪৭ জন নিহতের সংবাদ পাওয়া গেছে, পুরোপুরি ধসে পড়েছে কমপক্ষে ৫৪টি ভবন এবং আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও কয়েক শ’ বাড়িঘর।

সেই ধাক্কার রেশ না কাটতেই একই দিন সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে অর্থাৎ ১২ ঘণ্টা পর ফের ভূমিকম্প হলো ইন্দোনেশিয়ায়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ায়, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭

আপডেট সময় ০৭:০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

সাত দশমিক সাত মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ইন্দোনেশিয়ায় আবারও আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এবার দেশটির উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের পেমাতাংসিয়ান্তার শহরে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে।

শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে দেশটির উত্তর সুমাত্রা প্রদেশে হয়েছে এ ভূমিকম্প। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি বা এপিসেন্টার ছিল উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের অন্যতম বৃহৎ শহর পেমাতাংসিয়ানতার থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং ভূপৃষ্ঠের ১৮৩ দশমিক ২ কিলোমিটার গভীরে।

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা (বেএমকেজি) জানিয়েছে, ভূমিকম্প যেখানে সংঘটিত হয়েছে সেখানকার মানুষ এটি অনুভব করেছেন। তবে এই ভূমিকম্পের প্রভাবে তাক থেকে জিনিসপত্র পড়ে যাওয়া, জানালা ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি ছাড়া বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

শনিবার ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পের উৎসস্থল বা এপিসেন্টর ছিল ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাগরের তলদেশে, ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। বড় ভূমিকম্পের পর ৩৪১টি পরাঘাত বা আফটার শকও হয়েছে। তবে সেসবের মাত্রা কম ছিল।

তীব্র কম্পনের পর উপকূলীয় নাগেওকেও, সিক্কা ও পূর্ব নুসা তেংগারা এলাকায় সমুদ্রের পানি হঠাৎ সরে যেতে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র সুনামি আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দেশটির আবহাওয়া সংস্থা সঙ্গে সঙ্গে সুনামি সতর্কতা জারি করে। পরবর্তীতে সমুদ্রপৃষ্ঠের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বড় কোনো বিপদের আশঙ্কা না থাকায় সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়েছে।

ব্যাপকমাত্রার এই ভূমিকম্পে পূর্ব ইন্দোনেশিয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪৭ জন নিহতের সংবাদ পাওয়া গেছে, পুরোপুরি ধসে পড়েছে কমপক্ষে ৫৪টি ভবন এবং আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও কয়েক শ’ বাড়িঘর।

সেই ধাক্কার রেশ না কাটতেই একই দিন সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে অর্থাৎ ১২ ঘণ্টা পর ফের ভূমিকম্প হলো ইন্দোনেশিয়ায়।