ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গিনিতে আবর্জনার স্তূপ ধসে ৩০ জনের মৃত্যু

নিজস্ব সংবাদ :

আবর্জনার স্তূপ ধসে ৩০ জনের মৃত্যু

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনিতে ধসে পড়া আবর্জনার স্তূপের তলায় চাপা পড়ে ৩০ জন নিজত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ২২ জন। আহতদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

বিবিসি জানিয়েছে, রোববার রাত প্রায় ২টার দিকে কোনাক্রির গ্বেসিয়া কমিউনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভারী বৃষ্টির সময় হঠাৎ করে বিশাল বর্জ্যের স্তূপ ধসে কাছাকাছি থাকা তাঁবু ও ঝুপড়িগুলো চাপা পড়ে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারীরা খননযন্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ধসে পড়া আবর্জনার স্তূপটি ছিল অত্যন্ত বড়। এর নিচে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনসহ আশপাশের আরও অনেক বসতবাড়ি চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রবল বর্ষণের জেরে রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে রাজধানী কোনাক্রিতে ঘটেছে এ দুর্ঘটনা। গিনির সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কোনাক্রির গিবেসেয়া এলাকায় অবস্থিত আবর্জনার এ স্তূপটি এত বড় ও বিশাল যে সেটি অনায়াসে সাধারণ বহুতল ভবন চাপা দিতে সক্ষম। যে কোনো সময় ধসে পড়ার ঝুঁকি থাকায় গিনির সরকার এ আবর্জনার স্তূপ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। সেই ঘোষণার এক সপ্তাহ পেরোনোর আগেই ঘটল এ দুর্ঘটনা।

গিনি খনিজ সম্পদে বেশ সমৃদ্ধ। পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটির মাটির তলায় বক্সাইটের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক মজুত রয়েছে। এছাড়া দেশটির লোহার খনিগুলোও উল্লেখযোগ্য। পর্যাপ্ত পরিমাণে লৌহ আকরিক রয়েছে খনিগুলোতে।

তবে এত সম্পদ থাকার পরও গিনির অবকাঠামোগত অবস্থা দুর্বল এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গিনির জনসংখ্যা ১ কোটি ৫১ লাখ এবং তাদের মধ্যে ৩৭ লাখই দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করেন।

সূত্র : রয়টার্স

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

গিনিতে আবর্জনার স্তূপ ধসে ৩০ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৭:২৩:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনিতে ধসে পড়া আবর্জনার স্তূপের তলায় চাপা পড়ে ৩০ জন নিজত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ২২ জন। আহতদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

বিবিসি জানিয়েছে, রোববার রাত প্রায় ২টার দিকে কোনাক্রির গ্বেসিয়া কমিউনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভারী বৃষ্টির সময় হঠাৎ করে বিশাল বর্জ্যের স্তূপ ধসে কাছাকাছি থাকা তাঁবু ও ঝুপড়িগুলো চাপা পড়ে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারীরা খননযন্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ধসে পড়া আবর্জনার স্তূপটি ছিল অত্যন্ত বড়। এর নিচে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনসহ আশপাশের আরও অনেক বসতবাড়ি চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রবল বর্ষণের জেরে রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে রাজধানী কোনাক্রিতে ঘটেছে এ দুর্ঘটনা। গিনির সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কোনাক্রির গিবেসেয়া এলাকায় অবস্থিত আবর্জনার এ স্তূপটি এত বড় ও বিশাল যে সেটি অনায়াসে সাধারণ বহুতল ভবন চাপা দিতে সক্ষম। যে কোনো সময় ধসে পড়ার ঝুঁকি থাকায় গিনির সরকার এ আবর্জনার স্তূপ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। সেই ঘোষণার এক সপ্তাহ পেরোনোর আগেই ঘটল এ দুর্ঘটনা।

গিনি খনিজ সম্পদে বেশ সমৃদ্ধ। পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটির মাটির তলায় বক্সাইটের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক মজুত রয়েছে। এছাড়া দেশটির লোহার খনিগুলোও উল্লেখযোগ্য। পর্যাপ্ত পরিমাণে লৌহ আকরিক রয়েছে খনিগুলোতে।

তবে এত সম্পদ থাকার পরও গিনির অবকাঠামোগত অবস্থা দুর্বল এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গিনির জনসংখ্যা ১ কোটি ৫১ লাখ এবং তাদের মধ্যে ৩৭ লাখই দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করেন।

সূত্র : রয়টার্স