ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের বিরুদ্ধে ‘শ্রেষ্ঠ ধ্বংসাত্মক অর্থনৈতিক অভিযান’ ঘোষণা ট্রাম্পের

কাগজের খবর ডেস্ক:

সৌদির সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি করবেন ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে ‘ সবচেয়ে বিধ্বংসী’ অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বের কোনো দেশ যদি ইরানকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে, তাদের অদূর ভবিষ্যতে সেই দেশকে ‘কঠোর পরিণাম’ ভুগতে হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ধ্বংসাত্মক অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন।

ট্রাম্প উল্লেখ করেন, সুযোগ পাওয়া সত্ত্বেও ইরান চুক্তিতে আসতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে দেশটি নজিরবিহীন অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও চরম একঘরে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে।

ইরানের সঙ্গে ব্যবসায় লিপ্ত যেকোনো দেশকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে ট্রাম্প জানান, যারা তেহরানকে কোনো আর্থিক, বাণিজ্যিক বা কূটনৈতিক সুবিধা দেবে, তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে। তিনি তেল চোরাচালান, অর্থ স্থানান্তর, নিবন্ধিত জাহাজ এবং ভুয়া কোম্পানির কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এই পদক্ষেপকে একটি ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ অভিহিত করে ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোকে তেহরানকে বিচ্ছিন্ন করার আহ্বান জানান।

“আমি আরও ঘোষণা করছি যে (অভিযান চলাকালে) কোনা দেশ যদি তার অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য, বিমান বন্দর অথবা সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যকে ইরানকে কোনো প্রকার সহযোগিতা প্রদান করে, সেক্ষেত্রে সেই দেশকেও ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি ভুগতে হবে। তেল চোরাচালান, পণ্য বিনিময় লাইন, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, জাহাজ নিবন্ধন, ভুয়া কোম্পানি – এই সবকিছু এখন থেকে বন্ধ হতে হবে।”

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে অবশ্য ইরানের কোনো বন্ধু বা মিত্র রাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করেননি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন, “আমি যাদের প্রতি ইঙ্গিত করেছি, তারা তা বুঝেছে।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবার চীন, তুরস্ক ও ইরাকের ওপর দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। ব্র্যান্ডিস ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক নাদের হাবিবির মতে, চীন সরকার এই মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় সাড়া না দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় বেজিংয়ের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা ওয়াশিংটনের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে।

সূত্র: আল জাজিরা

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের বিরুদ্ধে ‘শ্রেষ্ঠ ধ্বংসাত্মক অর্থনৈতিক অভিযান’ ঘোষণা ট্রাম্পের

আপডেট সময় ০৪:৪৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে ‘ সবচেয়ে বিধ্বংসী’ অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বের কোনো দেশ যদি ইরানকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে, তাদের অদূর ভবিষ্যতে সেই দেশকে ‘কঠোর পরিণাম’ ভুগতে হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ধ্বংসাত্মক অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন।

ট্রাম্প উল্লেখ করেন, সুযোগ পাওয়া সত্ত্বেও ইরান চুক্তিতে আসতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে দেশটি নজিরবিহীন অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও চরম একঘরে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে।

ইরানের সঙ্গে ব্যবসায় লিপ্ত যেকোনো দেশকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে ট্রাম্প জানান, যারা তেহরানকে কোনো আর্থিক, বাণিজ্যিক বা কূটনৈতিক সুবিধা দেবে, তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে। তিনি তেল চোরাচালান, অর্থ স্থানান্তর, নিবন্ধিত জাহাজ এবং ভুয়া কোম্পানির কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এই পদক্ষেপকে একটি ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ অভিহিত করে ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোকে তেহরানকে বিচ্ছিন্ন করার আহ্বান জানান।

“আমি আরও ঘোষণা করছি যে (অভিযান চলাকালে) কোনা দেশ যদি তার অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য, বিমান বন্দর অথবা সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যকে ইরানকে কোনো প্রকার সহযোগিতা প্রদান করে, সেক্ষেত্রে সেই দেশকেও ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি ভুগতে হবে। তেল চোরাচালান, পণ্য বিনিময় লাইন, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, জাহাজ নিবন্ধন, ভুয়া কোম্পানি – এই সবকিছু এখন থেকে বন্ধ হতে হবে।”

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে অবশ্য ইরানের কোনো বন্ধু বা মিত্র রাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করেননি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন, “আমি যাদের প্রতি ইঙ্গিত করেছি, তারা তা বুঝেছে।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবার চীন, তুরস্ক ও ইরাকের ওপর দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। ব্র্যান্ডিস ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক নাদের হাবিবির মতে, চীন সরকার এই মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় সাড়া না দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় বেজিংয়ের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা ওয়াশিংটনের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে।

সূত্র: আল জাজিরা