ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩৬ দিনের আন্দোলনের ইতি: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর ঘরে ফিরল ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকারীরা

নিজস্ব সংবাদ :

নিজস্ব প্রতিবেদন:
টানা ৩৬ দিন ধরে রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে চলা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের অবসান হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে এক কোটি রুপি করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণার পর আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় সংগঠনটি।

শনিবার (২৫ জুলাই) আন্দোলন সমাপ্তির ঘোষণা দিয়ে বিক্ষোভকারীরা নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যান। এর মধ্য দিয়ে প্রায় এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আন্দোলনের জন্য যন্তর মন্তরে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চ ভেঙে ফেলার কাজও শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তাজনিত কারণে বন্ধ রাখা মেট্রো স্টেশনগুলো আবারও যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘস্থায়ী এই আন্দোলনের প্রভাবে যন্তর মন্তর আশপাশের এলাকায় স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়। বহু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাজার দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকার প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল, যা আন্দোলন শেষ হওয়ার পর পুনরায় চালু করা হয়েছে।

আন্দোলন প্রত্যাহারের ফলে রাজধানী দিল্লিতে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরতে শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৩৬ দিনের আন্দোলনের ইতি: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর ঘরে ফিরল ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকারীরা

আপডেট সময় ০২:৪৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদন:
টানা ৩৬ দিন ধরে রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে চলা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের অবসান হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে এক কোটি রুপি করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণার পর আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় সংগঠনটি।

শনিবার (২৫ জুলাই) আন্দোলন সমাপ্তির ঘোষণা দিয়ে বিক্ষোভকারীরা নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যান। এর মধ্য দিয়ে প্রায় এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আন্দোলনের জন্য যন্তর মন্তরে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চ ভেঙে ফেলার কাজও শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তাজনিত কারণে বন্ধ রাখা মেট্রো স্টেশনগুলো আবারও যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘস্থায়ী এই আন্দোলনের প্রভাবে যন্তর মন্তর আশপাশের এলাকায় স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়। বহু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাজার দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকার প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল, যা আন্দোলন শেষ হওয়ার পর পুনরায় চালু করা হয়েছে।

আন্দোলন প্রত্যাহারের ফলে রাজধানী দিল্লিতে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরতে শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।