যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পকে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে আরও গভীর ও কার্যকর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
শনিবার পাঠানো বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বাস্তবমুখী নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র আগামী দিনগুলোতে আরও অগ্রগতি অর্জন করবে বলে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে।
তিনি বাংলাদেশ সরকার, দেশের জনগণ এবং নিজের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তির শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, এই ঐতিহাসিক অর্জন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়, বরং স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষের জন্যও অনুপ্রেরণার প্রতীক।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমেরিকা ২৫০’ উদযাপনের মাধ্যমে দেশটির স্বাধীনতার ইতিহাস, আত্মত্যাগ, ঐতিহ্য, মূল্যবোধ এবং বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের অবদান নতুনভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তৃত হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তারেক রহমান বলেন, চলতি বছর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে বাণিজ্য, জ্বালানি খাতের সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সহযোগিতা ও মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে।
বার্তার শেষাংশে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণও কামনা করেন তিনি।

























