ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাহরাইনে মার্কিন প্রতিরক্ষা ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির, ধ্বংসের দাবি রাডার ও পেট্রিয়ট ব্যবস্থা

নিজস্ব সংবাদ :

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, বাহরাইনের মুহাররাক অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডার স্টেশনে সফল হামলা চালিয়ে সেটি সম্পূর্ণ অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে।

আইআরজিসির প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, বাহরাইনের আল-রিফফা এলাকায় সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে মার্কিন সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত একটি পেট্রিয়ট বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং সেটি ধ্বংস করা হয়েছে বলে তাদের দাবি।

তেহরান এই হামলাকে নিজেদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছে। আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল অঞ্চলে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা কমিয়ে আনা এবং মার্কিন প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে দুর্বল করা।

বিবৃতিতে আরও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আইআরজিসির এসব দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র বা বাহরাইন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাহরাইনে মার্কিন প্রতিরক্ষা ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির, ধ্বংসের দাবি রাডার ও পেট্রিয়ট ব্যবস্থা

আপডেট সময় ০২:৩১:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, বাহরাইনের মুহাররাক অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডার স্টেশনে সফল হামলা চালিয়ে সেটি সম্পূর্ণ অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে।

আইআরজিসির প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, বাহরাইনের আল-রিফফা এলাকায় সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে মার্কিন সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত একটি পেট্রিয়ট বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং সেটি ধ্বংস করা হয়েছে বলে তাদের দাবি।

তেহরান এই হামলাকে নিজেদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছে। আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল অঞ্চলে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা কমিয়ে আনা এবং মার্কিন প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে দুর্বল করা।

বিবৃতিতে আরও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আইআরজিসির এসব দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র বা বাহরাইন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।