তফসিলের আগেই মাঠে জামায়াত, ৮ সিটিতে সম্ভাব্য মেয়র মুখ চূড়ান্তের পথে
জামায়াতে ইসলামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার আগেই বিভিন্ন পর্যায়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও দেশের অন্তত আটটি সিটি করপোরেশনের জন্য সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
জানা যায়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিনকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ডাকসু ভিপি সাদিক কয়েম।
এ ছাড়া চট্টগ্রামে নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী, গাজীপুরে সাবেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হাফিজুর রহমান, বরিশালে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, রংপুরে মহানগর আমির এ টি এম আজম খান, খুলনায় মহানগর আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান এবং নারায়ণগঞ্জে মহানগর আমির মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নাম সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।
দলীয় নেতারা জানান, সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে নিজ নিজ এলাকায় জনসংযোগ, সামাজিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সক্রিয় রয়েছেন। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতেই তারা নিয়মিত মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন।
বিশেষ করে ঢাকা উত্তর সিটিতে সেলিম উদ্দিন পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগর গড়ার নানা পরিকল্পনা তুলে ধরছেন। একইভাবে ঢাকা দক্ষিণে সাদিক কয়েমও বিভিন্ন সামাজিক ও জনসম্পৃক্ত কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীরাও নিজ নিজ এলাকায় একই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
তবে রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা এবং নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এসব এলাকায় দলীয় পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
শুধু সিটি করপোরেশন নয়, দেশের ৩৩১টি পৌরসভা, অধিকাংশ উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদেও সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
দলটির নেতাদের ভাষ্য, সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে কয়েকটি বিভাগে প্রার্থীদের সন্তোষজনক ফল স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সেই লক্ষ্যেই আগাম সাংগঠনিক প্রস্তুতি ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

























