ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরানের পথে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

নিজস্ব সংবাদ :

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে তেহরানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইরানের রাজধানী তেহরানের উদ্দেশে যাত্রা করেন। সফর শেষে আগামী ৪ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি ৮৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানের নতুন রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮০ সালে স্বল্প সময়ের জন্য দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। একই সময়ে ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরু হলে তিনি ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর তত্ত্বাবধানে যুক্ত হন এবং পরে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৯ সালে ইরানের বিপ্লবের নেতা রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদের সিদ্ধান্তে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরানের পথে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

আপডেট সময় ০৩:৪৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে তেহরানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইরানের রাজধানী তেহরানের উদ্দেশে যাত্রা করেন। সফর শেষে আগামী ৪ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি ৮৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানের নতুন রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮০ সালে স্বল্প সময়ের জন্য দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। একই সময়ে ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরু হলে তিনি ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর তত্ত্বাবধানে যুক্ত হন এবং পরে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৯ সালে ইরানের বিপ্লবের নেতা রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদের সিদ্ধান্তে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে ছিলেন।