ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোস্টগার্ড স্টেশনে হামলা মামলায় নিখোঁজ মিরাজের স্ত্রী, মা-বোনসহ তিন শতাধিক আসামি

নিজস্ব সংবাদ :

বাগেরহাটের মোংলায় সুন্দরবন লাগোয়া কোস্টগার্ডের হারবাড়িয়া স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে মোংলা থানায় মামলা হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা, দাঙ্গা-হাঙ্গামাসহ বিভিন্ন অভিযোগে কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে করা ওই মামলায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২৫০-৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের হারবাড়িয়া স্টেশনের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. শাহিদুর রহমান শাহিন বাদী হয়ে মোংলা থানায় মামলাটি করেন। এ ঘটনায় এজাহারনামীয় তিন আসামিসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে (জেলহাজত) পাঠানো হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, এক জেলে নিখোঁজের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকালে কোস্টগার্ডের সঙ্গে জয়মনির ঠোঁটা এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। সেখান থেকে ওই সংঘাতের সূত্রপাত। নিখোঁজ ওই জেলার নাম মিরাজ শেখ, দুই মাস ধরে তাঁর সন্ধানে পরিবার বিভিন্ন স্থানে ধরনা দিচ্ছে। নিখোঁজ মিরাজের পরিবার ও গ্রামবাসীর অভিযোগ, কোস্টগার্ড গত ১০ এপ্রিল মিরাজকে জয়মনির ঠোঁটা থেকে তুলে নিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবারের ঘটনায় কোস্টগার্ডের করা মামলার ১ নম্বর আসামি মুক্তা খাতুন। তিনি নিখোঁজ মিরাজের স্ত্রী। মিরাজের বোন লিজা ইসলাম ও মা তাসলিমা বেগমকে এই মামলার ২ ও ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এই তিনজনকেই বৃহস্পতিবার আটক করে কোস্টগার্ড। মামলার এজাহারনামীয় ৪৪ আসামির প্রায় সবার বাড়ি মোংলা উপজেলার জয়মিন গ্রামে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কোস্টগার্ড স্টেশনে হামলা মামলায় নিখোঁজ মিরাজের স্ত্রী, মা-বোনসহ তিন শতাধিক আসামি

আপডেট সময় ০৪:০৮:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

বাগেরহাটের মোংলায় সুন্দরবন লাগোয়া কোস্টগার্ডের হারবাড়িয়া স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে মোংলা থানায় মামলা হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা, দাঙ্গা-হাঙ্গামাসহ বিভিন্ন অভিযোগে কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে করা ওই মামলায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২৫০-৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের হারবাড়িয়া স্টেশনের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. শাহিদুর রহমান শাহিন বাদী হয়ে মোংলা থানায় মামলাটি করেন। এ ঘটনায় এজাহারনামীয় তিন আসামিসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে (জেলহাজত) পাঠানো হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, এক জেলে নিখোঁজের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকালে কোস্টগার্ডের সঙ্গে জয়মনির ঠোঁটা এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। সেখান থেকে ওই সংঘাতের সূত্রপাত। নিখোঁজ ওই জেলার নাম মিরাজ শেখ, দুই মাস ধরে তাঁর সন্ধানে পরিবার বিভিন্ন স্থানে ধরনা দিচ্ছে। নিখোঁজ মিরাজের পরিবার ও গ্রামবাসীর অভিযোগ, কোস্টগার্ড গত ১০ এপ্রিল মিরাজকে জয়মনির ঠোঁটা থেকে তুলে নিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবারের ঘটনায় কোস্টগার্ডের করা মামলার ১ নম্বর আসামি মুক্তা খাতুন। তিনি নিখোঁজ মিরাজের স্ত্রী। মিরাজের বোন লিজা ইসলাম ও মা তাসলিমা বেগমকে এই মামলার ২ ও ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এই তিনজনকেই বৃহস্পতিবার আটক করে কোস্টগার্ড। মামলার এজাহারনামীয় ৪৪ আসামির প্রায় সবার বাড়ি মোংলা উপজেলার জয়মিন গ্রামে।