ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের বাঁচা-মরার লড়াই

কাগজের খবর ডেস্ক:

বাংলাদেশের বাঁচা-মরার লড়াই

সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। ফাইনালে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে এবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই টাইগারদের। বুধবার (২১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।

এই ম্যাচে জিতলে ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা টিকে থাকবে বাংলাদেশের। তবে শুধু জয় পেলেই চলবে না, নেট রান রেটের সমীকরণও নিজেদের পক্ষে আনতে হবে তাদের।

জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের পথে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে হারলেও ফাইনালে ওঠার সুযোগ থাকবে দলটির। অন্যদিকে, আফগানিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারাতে পারলে জিম্বাবুয়েকে পেছনে ফেলে ফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে বাংলাদেশের।

এক ম্যাচে জয় নিয়ে +৩.১৬০ নেট রান রেটে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে আফগানিস্তান। এক জয় ও এক হারে -০.৫৯০ নেট রান রেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে জিম্বাবুয়ে। প্রথম ম্যাচে হারের পর -১.৯৮০ নেট রান রেট নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে আছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ আগে ব্যাটিং করলে অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে জিততে হবে। পরে ব্যাটিং করলে জয়ের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা নির্ভর করবে প্রতিপক্ষের দেওয়া লক্ষ্যের ওপর।

সমীকরণ অনুযায়ী, ২০০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪০.২ ওভারের মধ্যে জিততে হবে বাংলাদেশকে। ২২০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হবে ৪০.৫ ওভারের মধ্যে। ২৪০ রানের লক্ষ্য পেলে জয়ের জন্য হাতে থাকবে ৪১.১ ওভার পর্যন্ত সময়। ২৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হবে ৪১.৩ ওভারের মধ্যে।

একইভাবে, ২৬০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪১.৪ ওভার, ২৭০ রানের লক্ষ্য হলে ৪১.৫ ওভার, ২৮০ রানের লক্ষ্য হলে ৪২ ওভার এবং ৩০০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪২.২ ওভারের মধ্যে জয় নিশ্চিত করতে হবে টাইগারদের।

ওয়ানডে ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ২২ বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। দুই দলই জিতেছে ১১টি করে ম্যাচ। তবে, সাম্প্রতিক লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছে আফগানরা। সর্বশেষ ৬ ম্যাচের পাঁচটিতেই জয় পেয়েছে তারা। ৫টি জয়ই এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ ও আবুধাবিতে।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ
তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয় (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত/মেহেদী হাসান মিরাজ, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের বাঁচা-মরার লড়াই

আপডেট সময় ০৬:৫৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। ফাইনালে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে এবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই টাইগারদের। বুধবার (২১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।

এই ম্যাচে জিতলে ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা টিকে থাকবে বাংলাদেশের। তবে শুধু জয় পেলেই চলবে না, নেট রান রেটের সমীকরণও নিজেদের পক্ষে আনতে হবে তাদের।

জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের পথে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে হারলেও ফাইনালে ওঠার সুযোগ থাকবে দলটির। অন্যদিকে, আফগানিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারাতে পারলে জিম্বাবুয়েকে পেছনে ফেলে ফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে বাংলাদেশের।

এক ম্যাচে জয় নিয়ে +৩.১৬০ নেট রান রেটে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে আফগানিস্তান। এক জয় ও এক হারে -০.৫৯০ নেট রান রেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে জিম্বাবুয়ে। প্রথম ম্যাচে হারের পর -১.৯৮০ নেট রান রেট নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে আছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ আগে ব্যাটিং করলে অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে জিততে হবে। পরে ব্যাটিং করলে জয়ের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা নির্ভর করবে প্রতিপক্ষের দেওয়া লক্ষ্যের ওপর।

সমীকরণ অনুযায়ী, ২০০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪০.২ ওভারের মধ্যে জিততে হবে বাংলাদেশকে। ২২০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হবে ৪০.৫ ওভারের মধ্যে। ২৪০ রানের লক্ষ্য পেলে জয়ের জন্য হাতে থাকবে ৪১.১ ওভার পর্যন্ত সময়। ২৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হবে ৪১.৩ ওভারের মধ্যে।

একইভাবে, ২৬০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪১.৪ ওভার, ২৭০ রানের লক্ষ্য হলে ৪১.৫ ওভার, ২৮০ রানের লক্ষ্য হলে ৪২ ওভার এবং ৩০০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪২.২ ওভারের মধ্যে জয় নিশ্চিত করতে হবে টাইগারদের।

ওয়ানডে ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ২২ বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। দুই দলই জিতেছে ১১টি করে ম্যাচ। তবে, সাম্প্রতিক লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছে আফগানরা। সর্বশেষ ৬ ম্যাচের পাঁচটিতেই জয় পেয়েছে তারা। ৫টি জয়ই এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ ও আবুধাবিতে।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ
তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয় (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত/মেহেদী হাসান মিরাজ, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম।