ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধোলাইখাল টং মার্কেট স্থায়ী করার উদ্যোগ, ব্যবসায়ীদের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করার আশ্বাস ইশরাকের

নিজস্ব সংবাদ :

পুরান ঢাকার ধোলাইখাল টং মার্কেটের উন্নয়ন ও স্থায়ী করার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নকে নিজের অগ্রাধিকারের তালিকায় রাখার কথা জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) ধোলাইখাল টং মার্কেট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

ইশরাক হোসেন জানান, বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি এলাকার মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে কাজ করবেন। তার মতে, শুধু রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের বাস্তব চাহিদা পূরণেও গুরুত্ব দিতে হবে।

ধোলাইখাল এলাকার সঙ্গে নিজের দীর্ঘদিনের স্মৃতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, পুরান ঢাকার এই এলাকাটি ঐতিহ্য ও পরিচিতির দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় এখানেই বড় ধরনের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতেও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। সেই আন্দোলনের সময় টং মার্কেটের সামনেই তিনি প্রথম গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন বলেও স্মৃতিচারণ করেন।

মার্কেটটির উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য বলেন, এর সঙ্গে অসংখ্য ব্যবসায়ী, দোকানমালিক, শ্রমিক ও কর্মচারীর জীবিকা জড়িত। তাদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা এবং জীবনযাত্রার মান বাড়াতে মার্কেটের উন্নয়ন প্রয়োজন।

এ সময় ধোলাইখাল টং মার্কেট স্থায়ী করার বিষয়টিও আলোচনায় আনেন তিনি। ইশরাক বলেন, তার বাবা মেয়র থাকাকালে মার্কেটটি স্থায়ী করার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেওয়ায় সেই কাজ আর সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান সরকার বিএনপির হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় জায়গায় নিজের পক্ষ থেকে সহযোগিতা ও কথা বলার আশ্বাস দেন ঢাকা-৬ আসনের এই সংসদ সদস্য।

তিনি বলেন, মার্কেটের স্থায়ী সমাধান ও উন্নয়ন বাস্তবায়িত হলে এর সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের পাশাপাশি উপকৃত হবে তাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলোও।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধোলাইখাল টং মার্কেট স্থায়ী করার উদ্যোগ, ব্যবসায়ীদের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করার আশ্বাস ইশরাকের

আপডেট সময় ০৩:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

পুরান ঢাকার ধোলাইখাল টং মার্কেটের উন্নয়ন ও স্থায়ী করার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নকে নিজের অগ্রাধিকারের তালিকায় রাখার কথা জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) ধোলাইখাল টং মার্কেট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

ইশরাক হোসেন জানান, বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি এলাকার মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে কাজ করবেন। তার মতে, শুধু রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের বাস্তব চাহিদা পূরণেও গুরুত্ব দিতে হবে।

ধোলাইখাল এলাকার সঙ্গে নিজের দীর্ঘদিনের স্মৃতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, পুরান ঢাকার এই এলাকাটি ঐতিহ্য ও পরিচিতির দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় এখানেই বড় ধরনের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতেও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। সেই আন্দোলনের সময় টং মার্কেটের সামনেই তিনি প্রথম গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন বলেও স্মৃতিচারণ করেন।

মার্কেটটির উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য বলেন, এর সঙ্গে অসংখ্য ব্যবসায়ী, দোকানমালিক, শ্রমিক ও কর্মচারীর জীবিকা জড়িত। তাদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা এবং জীবনযাত্রার মান বাড়াতে মার্কেটের উন্নয়ন প্রয়োজন।

এ সময় ধোলাইখাল টং মার্কেট স্থায়ী করার বিষয়টিও আলোচনায় আনেন তিনি। ইশরাক বলেন, তার বাবা মেয়র থাকাকালে মার্কেটটি স্থায়ী করার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেওয়ায় সেই কাজ আর সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান সরকার বিএনপির হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় জায়গায় নিজের পক্ষ থেকে সহযোগিতা ও কথা বলার আশ্বাস দেন ঢাকা-৬ আসনের এই সংসদ সদস্য।

তিনি বলেন, মার্কেটের স্থায়ী সমাধান ও উন্নয়ন বাস্তবায়িত হলে এর সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের পাশাপাশি উপকৃত হবে তাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলোও।