ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভুয়া সনদের অভিযোগ: মতিঝিল আইডিয়ালের ২৩ শিক্ষককে দুদকের তলব

নিজস্ব সংবাদ :

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া ও জাল বিএড সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এসব শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আগামী ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের কার্যালয়ে তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। এ সময় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিএড সনদের মূল কপি, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামানের স্বাক্ষরে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ বরাবর পাঠানো চিঠিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

দুদকের নোটিশে বলা হয়েছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভুয়া বা জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতা করার অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ২৩ শিক্ষকের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন। এ কারণেই তাদের নির্ধারিত সময়ে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

কোনো শিক্ষক জরুরি কারণে নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হতে না পারলে তার বিএড সনদের মূল কপি, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি অধ্যক্ষের কাছে জমা রাখার জন্যও অনুরোধ জানিয়েছে দুদক।

দুদকের অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে যে তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে তলব করা ২৩ শিক্ষকই দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখা থেকে বিএড সনদ নিয়েছেন। এসব সনদকে প্রাথমিক পর্যায়ে সন্দেহজনক বা জাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে দুদকের নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

তলব করা শিক্ষকেরা হলেন—রুবিনা সুলতানা, মো. সোলায়মান, তাহমিনা ইয়াছমিন, মোহা. কবিউল ইসলাম, সেবিকা রানী পাল, মোছা. নাহিদা আখতার, সালেহ আহমেদ, মো. মোজাম্মেল হক, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান, মাহফুজা হাসনা, সালমা খাতুন, সুস্মিতা আক্তার, মো. আজিবর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু বকর, মহিউদ্দিন, আজমল হোসেন, মো. ফরিদুর রহমান শেখ, নূরজাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ আল আমিন খান, মোহাম্মদ আফছার উদ্দিন ও এন এম মঞ্জুরুল হক।

দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহের পর অনুসন্ধানের জন্য কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। এখন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বক্তব্য ও সনদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভুয়া সনদের অভিযোগ: মতিঝিল আইডিয়ালের ২৩ শিক্ষককে দুদকের তলব

আপডেট সময় ০২:৪০:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া ও জাল বিএড সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এসব শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আগামী ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের কার্যালয়ে তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। এ সময় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিএড সনদের মূল কপি, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামানের স্বাক্ষরে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ বরাবর পাঠানো চিঠিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

দুদকের নোটিশে বলা হয়েছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভুয়া বা জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতা করার অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ২৩ শিক্ষকের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন। এ কারণেই তাদের নির্ধারিত সময়ে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

কোনো শিক্ষক জরুরি কারণে নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হতে না পারলে তার বিএড সনদের মূল কপি, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি অধ্যক্ষের কাছে জমা রাখার জন্যও অনুরোধ জানিয়েছে দুদক।

দুদকের অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে যে তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে তলব করা ২৩ শিক্ষকই দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখা থেকে বিএড সনদ নিয়েছেন। এসব সনদকে প্রাথমিক পর্যায়ে সন্দেহজনক বা জাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে দুদকের নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

তলব করা শিক্ষকেরা হলেন—রুবিনা সুলতানা, মো. সোলায়মান, তাহমিনা ইয়াছমিন, মোহা. কবিউল ইসলাম, সেবিকা রানী পাল, মোছা. নাহিদা আখতার, সালেহ আহমেদ, মো. মোজাম্মেল হক, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান, মাহফুজা হাসনা, সালমা খাতুন, সুস্মিতা আক্তার, মো. আজিবর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু বকর, মহিউদ্দিন, আজমল হোসেন, মো. ফরিদুর রহমান শেখ, নূরজাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ আল আমিন খান, মোহাম্মদ আফছার উদ্দিন ও এন এম মঞ্জুরুল হক।

দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহের পর অনুসন্ধানের জন্য কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। এখন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বক্তব্য ও সনদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।