ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিকে নিয়োগপত্র পাননি ৮১৭ জন, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার:

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে এখনো ৮১৭ জনের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক। তিনি বলেন, এসব প্রার্থীর ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলবে। যাচাই শেষে কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা চূড়ান্ত করা হবে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের কারণে প্রার্থীদের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং যাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, তাদের বিষয় পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় ১০ লাখ ৬৯ হাজার পরীক্ষার্থী ছিলেন। নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে কাজ শুরু করার পর ৩৩ হাজার ৮৫৪ জনের ফাইনাল আবেদন পাওয়া যায়। নিয়োগপত্র দেওয়ার আগে তাদের ভেরিফিকেশন করা হচ্ছে। এ সময় অনেকের ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়ও সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্টরা পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় তথ্য দিচ্ছেন।

৮১৭ জনের নিয়োগপত্র না পাওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আজ পর্যন্ত বাকি আছে ৮১৭ জন। পর্যায়ক্রমে ভেরিফিকেশন হচ্ছে, ঠিকানা আসছে। অপপ্রচার দেখে আমি একটি প্রেস রিলিজ দিয়ে দিয়েছিলাম। যাদের হয়নি, সেগুলো আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি এবং রিভিউ করছি। ১ অক্টোবর পর্যন্ত এটা চলবে।’

তিনি আরও বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই কোনো কোনো বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। একটি ক্ষেত্রে চূড়ান্ত চিঠি দেওয়ার আগেই বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে নিয়োগপ্রত্যাশীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়া প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে হতাশ হয়ে আত্মহত্যার কথা বলছেন। তবে নিয়োগের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রাথমিকে নিয়োগপত্র পাননি ৮১৭ জন, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৩৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে এখনো ৮১৭ জনের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক। তিনি বলেন, এসব প্রার্থীর ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলবে। যাচাই শেষে কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা চূড়ান্ত করা হবে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের কারণে প্রার্থীদের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং যাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, তাদের বিষয় পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় ১০ লাখ ৬৯ হাজার পরীক্ষার্থী ছিলেন। নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে কাজ শুরু করার পর ৩৩ হাজার ৮৫৪ জনের ফাইনাল আবেদন পাওয়া যায়। নিয়োগপত্র দেওয়ার আগে তাদের ভেরিফিকেশন করা হচ্ছে। এ সময় অনেকের ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়ও সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্টরা পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় তথ্য দিচ্ছেন।

৮১৭ জনের নিয়োগপত্র না পাওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আজ পর্যন্ত বাকি আছে ৮১৭ জন। পর্যায়ক্রমে ভেরিফিকেশন হচ্ছে, ঠিকানা আসছে। অপপ্রচার দেখে আমি একটি প্রেস রিলিজ দিয়ে দিয়েছিলাম। যাদের হয়নি, সেগুলো আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি এবং রিভিউ করছি। ১ অক্টোবর পর্যন্ত এটা চলবে।’

তিনি আরও বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই কোনো কোনো বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। একটি ক্ষেত্রে চূড়ান্ত চিঠি দেওয়ার আগেই বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে নিয়োগপ্রত্যাশীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়া প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে হতাশ হয়ে আত্মহত্যার কথা বলছেন। তবে নিয়োগের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।