চীনের অর্থায়নে ঢাবিতে হচ্ছে ১,৫০০ ছাত্রী ধারণক্ষমতার নতুন হল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আবাসন সংকট কমাতে চীনের আর্থিক সহায়তায় নতুন একটি আবাসিক হল নির্মাণের উদ্যোগ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ২৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন হতে যাওয়া ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল’ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শিগগিরই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস ও নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির বর্তমান স্থাপনা অপসারণ করে নির্ধারিত জায়গায় নতুন হলটি নির্মাণ করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ‘মিনিটস অব মিটিং’ (এমওএম) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) সরদার মোহাম্মদ কেরামত আলী এবং চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির (সিআইডিসিএ) ভাইস চেয়ারম্যান লুই জুনফেং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ও বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতও উপস্থিত ছিলেন।
এমওএম স্বাক্ষরের পর সিআইডিসিএর ভাইস চেয়ারম্যান লুই জুনফেংয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রস্তাবিত হল নির্মাণের স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ জাবেদ আলম মৃধা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে লুই জুনফেং জানান, চলতি বছরের মধ্যেই প্রকল্পের ড্রয়িং ও ডিজাইন প্রস্তুতসহ প্রয়োজনীয় ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১ হাজার ৫০০ ছাত্রী নতুন আবাসিক সুবিধা পাবেন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থায় একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নতুন সুযোগ তৈরি হবে।


























