ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিল্পাঞ্চলের ছায়ায় মাদকের থাবা: সাভার-আশুলিয়ায় বাড়ছে উদ্বেগ

নিজস্ব সংবাদ :

নিজস্ব প্রতিবেদন

ঢাকার পাশের সাভার ও আশুলিয়া দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল। প্রতিদিন লাখো পোশাকশ্রমিক, পরিবহনকর্মী ও নানা পেশার মানুষের কর্মচাঞ্চল্যে মুখর থাকে এই এলাকা। শিল্পকারখানার দ্রুত বিস্তার, ঘনবসতি এবং উন্নত সড়ক যোগাযোগের কারণে অঞ্চলটি যেমন অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, তেমনি মাদক কারবারিদের কাছেও এটি একটি সক্রিয় কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে সাভার ও আশুলিয়ায় মাদক ব্যবসার বিস্তৃত নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত মিলছে। মাদকের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি ও কিশোর গ্যাং-সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগও বাড়ছে।

একাধিক এলাকায় অভিযান, গ্রেফতার ৯

রোববার সাভারের পুড়াবাড়ী পশ্চিমপাড়া এবং আশুলিয়ার বাইপাইল, ডেন্ডাবর ও ইউনিক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যৌথ অভিযান চালায় ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ ও আশুলিয়া থানা পুলিশ। অভিযানে ইয়াবা, হেরোইন ও গাঁজাসহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ২০৮ পিস ইয়াবা, ১১৭ পুরিয়া হেরোইন এবং ৭৫ গ্রাম গাঁজা

নতুন কৌশলে সক্রিয় মাদক চক্র

গত জুনে আশুলিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৩ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ চারজনকে আটক করা হয়েছিল। ওই অভিযানে উঠে আসে মাদক কারবারিদের নতুন কৌশলের তথ্য।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য গলির মুখ ও আশপাশে গোপন সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছিল কারবারিরা।

ব্যক্তিগত গাড়িতেও মাদক পরিবহন

জুলাই মাসে পৃথক অভিযানে সাভার ও আশুলিয়া থেকে ১ হাজার লিটার চোলাই মদ ও ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে আশুলিয়ার নিরিবিলি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি বিলাসবহুল প্রাইভেটকার থেকে ৪২ কেজি গাঁজা জব্দ করে পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নজর এড়াতে এখন শুধু গণপরিবহন নয়, ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল এমনকি ভিন্ন ভিন্ন কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মাদক নির্দিষ্ট স্থানে রেখে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ক্রেতাকে অবস্থান জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যাতে সরাসরি লেনদেনের ঝুঁকি কমে।

নারী ব্যবহারের প্রবণতাও বাড়ছে

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ধারণা, সন্দেহ কম হওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাদক পরিবহন ও সরবরাহে নারীদের ব্যবহার বাড়ছে। গত কয়েক মাসে সাভার বাসস্ট্যান্ড, রাজফুলবাড়িয়া ও পলাশবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা ও হেরোইনসহ একাধিক নারীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কোন এলাকাগুলো নজরদারিতে

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন অভিযানের তথ্য অনুযায়ী আশুলিয়ার জামগড়া, পলাশবাড়ি, মধ্য গাজিরচট, নিরিবিলি, বেড়িবাঁধ এবং আশপাশের কিছু এলাকা মাদক কারবারের অভিযোগে আলোচনায় রয়েছে।

অন্যদিকে সাভারের রাজফুলবাড়িয়া, নামাবাজার, বলিয়ারপুর, কাঞ্চনপুর বেদেপল্লী এলাকাতেও মাদক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কিছু গলি, অস্থায়ী দোকান, চায়ের স্টল ও ভাসমান ব্যবসার আড়ালেও মাদক বিক্রি হয়।

সামাজিক পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব

বাসিন্দাদের অনেকেই বলছেন, নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সহজেই মাদক পাওয়া যায়। এর ফলে শুধু আসক্ত ব্যক্তিরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না, পরিবার ও আশপাশের সামাজিক পরিবেশেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

পুলিশের বিভিন্ন মামলার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, অনেক ছিনতাইকারী ও ডাকাতের বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত মামলাও রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, মাদকাসক্তির খরচ জোগাড় করতে কেউ কেউ চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। পাশাপাশি মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে সংঘাতের ঘটনাও ঘটছে।

সাংবাদিকরাও ঝুঁকিতে

মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সংবাদকর্মীদেরও ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে। গত ২২ মে সাভারে মাদক-সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই টেলিভিশন সাংবাদিক হামলার শিকার হন।

শুধু খুচরা বিক্রেতা ধরলে সমাধান নয়

সচেতন মহলের মতে, কেবল খুচরা বিক্রেতা বা বহনকারীদের গ্রেফতার করে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। মাদকের উৎস, সরবরাহ চক্র, অর্থায়নের পথ, মোবাইল ব্যাংকিং ও অন্যান্য ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যম শনাক্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে মাদক সিন্ডিকেটের মূল হোতা ও তাদের সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিল্পাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক তরুণ ও শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, “মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদকমুক্ত আশুলিয়া গড়তে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

শিল্পাঞ্চলের অর্থনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি নিরাপদ সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও কার্যকর ও সমন্বিতভাবে পরিচালনার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা.

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শিল্পাঞ্চলের ছায়ায় মাদকের থাবা: সাভার-আশুলিয়ায় বাড়ছে উদ্বেগ

আপডেট সময় ০৩:০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদন

ঢাকার পাশের সাভার ও আশুলিয়া দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল। প্রতিদিন লাখো পোশাকশ্রমিক, পরিবহনকর্মী ও নানা পেশার মানুষের কর্মচাঞ্চল্যে মুখর থাকে এই এলাকা। শিল্পকারখানার দ্রুত বিস্তার, ঘনবসতি এবং উন্নত সড়ক যোগাযোগের কারণে অঞ্চলটি যেমন অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, তেমনি মাদক কারবারিদের কাছেও এটি একটি সক্রিয় কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে সাভার ও আশুলিয়ায় মাদক ব্যবসার বিস্তৃত নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত মিলছে। মাদকের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি ও কিশোর গ্যাং-সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগও বাড়ছে।

একাধিক এলাকায় অভিযান, গ্রেফতার ৯

রোববার সাভারের পুড়াবাড়ী পশ্চিমপাড়া এবং আশুলিয়ার বাইপাইল, ডেন্ডাবর ও ইউনিক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যৌথ অভিযান চালায় ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ ও আশুলিয়া থানা পুলিশ। অভিযানে ইয়াবা, হেরোইন ও গাঁজাসহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ২০৮ পিস ইয়াবা, ১১৭ পুরিয়া হেরোইন এবং ৭৫ গ্রাম গাঁজা

নতুন কৌশলে সক্রিয় মাদক চক্র

গত জুনে আশুলিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৩ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ চারজনকে আটক করা হয়েছিল। ওই অভিযানে উঠে আসে মাদক কারবারিদের নতুন কৌশলের তথ্য।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য গলির মুখ ও আশপাশে গোপন সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছিল কারবারিরা।

ব্যক্তিগত গাড়িতেও মাদক পরিবহন

জুলাই মাসে পৃথক অভিযানে সাভার ও আশুলিয়া থেকে ১ হাজার লিটার চোলাই মদ ও ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে আশুলিয়ার নিরিবিলি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি বিলাসবহুল প্রাইভেটকার থেকে ৪২ কেজি গাঁজা জব্দ করে পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নজর এড়াতে এখন শুধু গণপরিবহন নয়, ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল এমনকি ভিন্ন ভিন্ন কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মাদক নির্দিষ্ট স্থানে রেখে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ক্রেতাকে অবস্থান জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যাতে সরাসরি লেনদেনের ঝুঁকি কমে।

নারী ব্যবহারের প্রবণতাও বাড়ছে

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ধারণা, সন্দেহ কম হওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাদক পরিবহন ও সরবরাহে নারীদের ব্যবহার বাড়ছে। গত কয়েক মাসে সাভার বাসস্ট্যান্ড, রাজফুলবাড়িয়া ও পলাশবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা ও হেরোইনসহ একাধিক নারীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কোন এলাকাগুলো নজরদারিতে

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন অভিযানের তথ্য অনুযায়ী আশুলিয়ার জামগড়া, পলাশবাড়ি, মধ্য গাজিরচট, নিরিবিলি, বেড়িবাঁধ এবং আশপাশের কিছু এলাকা মাদক কারবারের অভিযোগে আলোচনায় রয়েছে।

অন্যদিকে সাভারের রাজফুলবাড়িয়া, নামাবাজার, বলিয়ারপুর, কাঞ্চনপুর বেদেপল্লী এলাকাতেও মাদক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কিছু গলি, অস্থায়ী দোকান, চায়ের স্টল ও ভাসমান ব্যবসার আড়ালেও মাদক বিক্রি হয়।

সামাজিক পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব

বাসিন্দাদের অনেকেই বলছেন, নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সহজেই মাদক পাওয়া যায়। এর ফলে শুধু আসক্ত ব্যক্তিরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না, পরিবার ও আশপাশের সামাজিক পরিবেশেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

পুলিশের বিভিন্ন মামলার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, অনেক ছিনতাইকারী ও ডাকাতের বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত মামলাও রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, মাদকাসক্তির খরচ জোগাড় করতে কেউ কেউ চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। পাশাপাশি মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে সংঘাতের ঘটনাও ঘটছে।

সাংবাদিকরাও ঝুঁকিতে

মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সংবাদকর্মীদেরও ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে। গত ২২ মে সাভারে মাদক-সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই টেলিভিশন সাংবাদিক হামলার শিকার হন।

শুধু খুচরা বিক্রেতা ধরলে সমাধান নয়

সচেতন মহলের মতে, কেবল খুচরা বিক্রেতা বা বহনকারীদের গ্রেফতার করে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। মাদকের উৎস, সরবরাহ চক্র, অর্থায়নের পথ, মোবাইল ব্যাংকিং ও অন্যান্য ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যম শনাক্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে মাদক সিন্ডিকেটের মূল হোতা ও তাদের সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিল্পাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক তরুণ ও শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, “মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদকমুক্ত আশুলিয়া গড়তে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

শিল্পাঞ্চলের অর্থনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি নিরাপদ সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও কার্যকর ও সমন্বিতভাবে পরিচালনার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা.