ঢাকা ০১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গোপসাগরে ২৪ নাবিক নিয়ে কার্গো জাহাজ ডুবি, উদ্ধার দুজন

নিজস্ব সংবাদ :

বঙ্গোপসাগরে ২৪ নাবিকসহ পানামার পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে। ‘এমভি ওশেন উইনার’ নামের জাহাজটিতে থাকা নাবিকদের মধ্যে ২০ জন চীনের, তিনজন মিয়ানমারের এবং একজন বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।

জাহাজটি ভারতের ওড়িশা উপকূল থেকে প্রায় ২৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি ওড়িশার পারাদ্বীপ বন্দর থেকে লৌহ আকরিকের গুঁড়া নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল।

জানা গেছে, জাহাজটিতে প্রায় ৭২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন লৌহ আকরিকের গুঁড়া ছিল। গত ২০ আগস্ট স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৪২ মিনিটে পারাদ্বীপ বন্দর ছেড়ে যায় এমভি ওশেন উইনার।

এরপর ২২ আগস্ট সকাল ১১টা ৪৮ মিনিটের দিকে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের শ্রী বিজয়া পুরমের মেরিটাইম রেসকিউ কোঅর্ডিনেশন সেন্টার জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি জানতে পারে। পরে জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ভিক্টরি স্টার গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে অনুসন্ধান ও উদ্ধার সহায়তা চাওয়া হয়।

খবর পেয়ে ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। কোস্টগার্ডের ‘বরদ’ ও ‘আনমোল’ নামের দুটি জাহাজ ঘটনাস্থলের দিকে পাঠানো হয়। ‘বিজিত’ নামের আরও একটি জাহাজ শ্রী বিজয়া পুরম থেকে উদ্ধার অভিযানে যোগ দিতে রওনা হয়।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় কোস্টগার্ড একটি লাইফ র‌্যাফ্ট থেকে দুজন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করেছে। তবে বাকি নাবিকদের বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

জাহাজটি কী কারণে ডুবে গেল, সে বিষয়টিও এখনো স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা অন্যান্য জাহাজগুলোকে সতর্ক করে উদ্ধারকাজে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২৪ নাবিকের মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিক থাকা এবং এখনো সবার অবস্থান নিশ্চিত না হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বঙ্গোপসাগরে ২৪ নাবিক নিয়ে কার্গো জাহাজ ডুবি, উদ্ধার দুজন

আপডেট সময় ০২:৫২:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে ২৪ নাবিকসহ পানামার পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে। ‘এমভি ওশেন উইনার’ নামের জাহাজটিতে থাকা নাবিকদের মধ্যে ২০ জন চীনের, তিনজন মিয়ানমারের এবং একজন বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।

জাহাজটি ভারতের ওড়িশা উপকূল থেকে প্রায় ২৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি ওড়িশার পারাদ্বীপ বন্দর থেকে লৌহ আকরিকের গুঁড়া নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল।

জানা গেছে, জাহাজটিতে প্রায় ৭২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন লৌহ আকরিকের গুঁড়া ছিল। গত ২০ আগস্ট স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৪২ মিনিটে পারাদ্বীপ বন্দর ছেড়ে যায় এমভি ওশেন উইনার।

এরপর ২২ আগস্ট সকাল ১১টা ৪৮ মিনিটের দিকে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের শ্রী বিজয়া পুরমের মেরিটাইম রেসকিউ কোঅর্ডিনেশন সেন্টার জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি জানতে পারে। পরে জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ভিক্টরি স্টার গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে অনুসন্ধান ও উদ্ধার সহায়তা চাওয়া হয়।

খবর পেয়ে ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। কোস্টগার্ডের ‘বরদ’ ও ‘আনমোল’ নামের দুটি জাহাজ ঘটনাস্থলের দিকে পাঠানো হয়। ‘বিজিত’ নামের আরও একটি জাহাজ শ্রী বিজয়া পুরম থেকে উদ্ধার অভিযানে যোগ দিতে রওনা হয়।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় কোস্টগার্ড একটি লাইফ র‌্যাফ্ট থেকে দুজন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করেছে। তবে বাকি নাবিকদের বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

জাহাজটি কী কারণে ডুবে গেল, সে বিষয়টিও এখনো স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা অন্যান্য জাহাজগুলোকে সতর্ক করে উদ্ধারকাজে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২৪ নাবিকের মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিক থাকা এবং এখনো সবার অবস্থান নিশ্চিত না হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।