ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাইয়ের ইতিহাস এখন জাদুঘরে: প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে নতুন স্মৃতির দুয়ার

নিজস্ব সংবাদ :

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাদুঘরটির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের জন্য জাদুঘরটি ঘুরে দেখার বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, উদ্বোধনের প্রথম দিন জাদুঘরটি শুধুমাত্র বিশেষ অতিথি এবং আন্দোলনে শহীদ হওয়া পরিবারের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) থেকে সাধারণ দর্শনার্থীরা জাদুঘরটি পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, আন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এবং সংশ্লিষ্ট মানুষের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতেই এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে আন্দোলন-সংক্রান্ত আলোকচিত্র, গুরুত্বপূর্ণ দলিল, ব্যবহৃত নিদর্শন, স্মারক ও অন্যান্য ঐতিহাসিক উপকরণ সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, জাদুঘরটি শুধু একটি স্মৃতিচিহ্ন হিসেবেই নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস জানার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ভবিষ্যতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জুলাইয়ের ইতিহাস এখন জাদুঘরে: প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে নতুন স্মৃতির দুয়ার

আপডেট সময় ০৩:৪৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাদুঘরটির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের জন্য জাদুঘরটি ঘুরে দেখার বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, উদ্বোধনের প্রথম দিন জাদুঘরটি শুধুমাত্র বিশেষ অতিথি এবং আন্দোলনে শহীদ হওয়া পরিবারের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) থেকে সাধারণ দর্শনার্থীরা জাদুঘরটি পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, আন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এবং সংশ্লিষ্ট মানুষের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতেই এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে আন্দোলন-সংক্রান্ত আলোকচিত্র, গুরুত্বপূর্ণ দলিল, ব্যবহৃত নিদর্শন, স্মারক ও অন্যান্য ঐতিহাসিক উপকরণ সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, জাদুঘরটি শুধু একটি স্মৃতিচিহ্ন হিসেবেই নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস জানার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ভবিষ্যতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।