ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গার্মেন্টস শিল্পে কর্মরত জনশক্তির জীবন কঠিন সংকটের মুখোমুখি: ডা. শফিকুর রহমান

স্টাফ রিপোর্টার:

ডা. শফিকুর রহমান

গার্মেন্টস শিল্পে কর্মরত জনশক্তির জীবন কঠিন সংকটের মুখোমুখি বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, গার্মেন্টস শিল্পে চলমান অস্থিরতা খুবই উদ্বেগজনক। দেশের প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টস শিল্প কঠিন অবস্থার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সরকারের ব্যর্থতা, জ্বালানির উচ্চমূল্য, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, বিশ্ববাজারে এ খাতের অনিশ্চয়তা এবং ক্রয়াদেশ বাতিল, প্রত্যাহার কিংবা আগের মতো না পাওয়া জনিত কারণে তৈরি পোশাক খাত সত্যিই এক কঠিন সময় পার করছে। অন্যদিকে ঘরভাড়া, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, যাতায়াত খরচ, চিকিৎসা খরচসহ এ শিল্পে কর্মরত জনশক্তির জীবনও কঠিন সংকটের মুখোমুখি।

জামায়াত আমির বলেন, প্রধান এই রপ্তানি খাতকে টিকিয়ে রাখতে হলে খাতটি যে সমস্ত সমস্যায় জর্জরিত হয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, তা দূর করার জন্য সরকারকে দ্রুতই টেকসই পদক্ষেপ নিতে হবে। যদি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত ও উৎপাদনের গতি বাড়ানো যায়, তখন এই সমস্ত সমস্যাগুলো যৌক্তিকভাবে বিবেচনায় নিয়ে সমাধান করা সম্ভব।

তিনি বলেন, শিল্প বাঁচলে শুধু মালিক বাঁচবে না, দেশও বাঁচবে। সুতরাং শিল্প উদ্যোক্তা ও শিল্পে নিয়োজিত জনশক্তি—দুটোকেই বাঁচানোর দায়িত্বশীল ভূমিকা সরকারকে পালন করতে হবে।

আমির আরও বলেন, আমরা সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন ও নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ববোধের পরিচয় দেওয়ার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি। এক্ষেত্রে যেকোনো ব্যর্থতা দেশের সমুদয় ভঙ্গুর অর্থনীতিকে ধ্বংসের শেষপ্রান্তে নিয়ে যাবে। এখানে কালক্ষেপণের কোনো সুযোগ নেই।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

গার্মেন্টস শিল্পে কর্মরত জনশক্তির জীবন কঠিন সংকটের মুখোমুখি: ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময় ০৫:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

গার্মেন্টস শিল্পে কর্মরত জনশক্তির জীবন কঠিন সংকটের মুখোমুখি বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, গার্মেন্টস শিল্পে চলমান অস্থিরতা খুবই উদ্বেগজনক। দেশের প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টস শিল্প কঠিন অবস্থার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সরকারের ব্যর্থতা, জ্বালানির উচ্চমূল্য, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, বিশ্ববাজারে এ খাতের অনিশ্চয়তা এবং ক্রয়াদেশ বাতিল, প্রত্যাহার কিংবা আগের মতো না পাওয়া জনিত কারণে তৈরি পোশাক খাত সত্যিই এক কঠিন সময় পার করছে। অন্যদিকে ঘরভাড়া, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, যাতায়াত খরচ, চিকিৎসা খরচসহ এ শিল্পে কর্মরত জনশক্তির জীবনও কঠিন সংকটের মুখোমুখি।

জামায়াত আমির বলেন, প্রধান এই রপ্তানি খাতকে টিকিয়ে রাখতে হলে খাতটি যে সমস্ত সমস্যায় জর্জরিত হয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, তা দূর করার জন্য সরকারকে দ্রুতই টেকসই পদক্ষেপ নিতে হবে। যদি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত ও উৎপাদনের গতি বাড়ানো যায়, তখন এই সমস্ত সমস্যাগুলো যৌক্তিকভাবে বিবেচনায় নিয়ে সমাধান করা সম্ভব।

তিনি বলেন, শিল্প বাঁচলে শুধু মালিক বাঁচবে না, দেশও বাঁচবে। সুতরাং শিল্প উদ্যোক্তা ও শিল্পে নিয়োজিত জনশক্তি—দুটোকেই বাঁচানোর দায়িত্বশীল ভূমিকা সরকারকে পালন করতে হবে।

আমির আরও বলেন, আমরা সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন ও নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ববোধের পরিচয় দেওয়ার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি। এক্ষেত্রে যেকোনো ব্যর্থতা দেশের সমুদয় ভঙ্গুর অর্থনীতিকে ধ্বংসের শেষপ্রান্তে নিয়ে যাবে। এখানে কালক্ষেপণের কোনো সুযোগ নেই।