ডা. জুবাইদা রহমান: বাংলাদেশের ‘ফার্স্ট লেডি’ ধারণায় কি শুরু হয়েছে নতুন অধ্যায়?
বাংলাদেশের সংবিধানে ‘ফার্স্ট লেডি’ নামে কোনো সাংবিধানিক পদ নেই। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণীকেই এই পরিচয়ে দেখা হয়, আর প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী পরিচিত হন ‘স্পাউস অব দ্য প্রাইম মিনিস্টার’ হিসেবে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে একটি নাম নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে—ডা. জুবাইদা রহমান।
তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ফার্স্ট লেডি নন, তবুও দেশের ভেতরে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার উপস্থিতি এবং ভূমিকা অনেকের কাছে তাকে কার্যত সেই মর্যাদার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। প্রশ্ন উঠছে—বাংলাদেশে কি বদলে যাচ্ছে ‘ফার্স্ট লেডি’র প্রচলিত ধারণা?
আন্তর্জাতিক মঞ্চে নতুন পরিচিতি
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মার্কিন ফার্স্ট লেডির আমন্ত্রণে অংশ নেন ডা. জুবাইদা রহমান। সেখানে তিনি শিশুস্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উন্নয়ন নিয়ে বক্তব্য রাখেন। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে তার এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকে নতুন মাত্রা দেয় এবং তাকে ঘিরে জনমনে নতুন আগ্রহের জন্ম দেয়।
শুধু রাজনৈতিক পরিচয় নয়, রয়েছে নিজস্ব অর্জন
ডা. জুবাইদা রহমানের পরিচয় শুধু একজন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি একজন প্রশিক্ষিত চিকিৎসক। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। সরকারি স্বাস্থ্য ক্যাডারেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
এই পেশাগত পরিচয় তাকে প্রচলিত রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যদের তুলনায় আলাদা অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে।


























