ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে মার্কিন হামলার পর বাহরাইনে জরুরি সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে নাগরিকদের নির্দেশ

নিজস্ব সংবাদ :

ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফার বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে প্রতিবেশী দেশ বাহরাইনেও। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বিবেচনায় নিয়ে দেশজুড়ে জরুরি সতর্কতা জারি করেছে বাহরাইন সরকার।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরু হওয়ার পরপরই বাহরাইনের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা সাইরেন বাজানো হয়। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিকদের আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে দ্রুত নিকটস্থ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এদিকে মার্কিন হামলার তীব্র সমালোচনা করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বারবার আঞ্চলিক শান্তি ও যুদ্ধবিরতির বিভিন্ন সমঝোতা লঙ্ঘন করছে। একই সঙ্গে তারা ওয়াশিংটনকে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এই সামরিক অভিযান তাৎক্ষণিকভাবে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা কম। একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশলের অংশ হিসেবে হামলা আরও কিছু সময় অব্যাহত থাকতে পারে। কিছু প্রতিবেদনে এই অভিযানকে ইরানের জন্য ‘শাস্তিমূলক পদক্ষেপ’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে পারস্য উপসাগরসংলগ্ন কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ কশেম ও খার্গ দ্বীপে নতুন করে একাধিক বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম। ভোরের দিকে সেখানে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান এই উত্তেজনার মধ্যে বাহরাইন সরকার জানিয়েছে, তারা সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে নাগরিকদের দ্রুত নতুন নির্দেশনা দেওয়া হবে।

সূত্র: আল জাজিরা ও মিডল ইস্ট আই।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইরানে মার্কিন হামলার পর বাহরাইনে জরুরি সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে নাগরিকদের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৩:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফার বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে প্রতিবেশী দেশ বাহরাইনেও। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বিবেচনায় নিয়ে দেশজুড়ে জরুরি সতর্কতা জারি করেছে বাহরাইন সরকার।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরু হওয়ার পরপরই বাহরাইনের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা সাইরেন বাজানো হয়। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিকদের আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে দ্রুত নিকটস্থ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এদিকে মার্কিন হামলার তীব্র সমালোচনা করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বারবার আঞ্চলিক শান্তি ও যুদ্ধবিরতির বিভিন্ন সমঝোতা লঙ্ঘন করছে। একই সঙ্গে তারা ওয়াশিংটনকে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এই সামরিক অভিযান তাৎক্ষণিকভাবে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা কম। একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশলের অংশ হিসেবে হামলা আরও কিছু সময় অব্যাহত থাকতে পারে। কিছু প্রতিবেদনে এই অভিযানকে ইরানের জন্য ‘শাস্তিমূলক পদক্ষেপ’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে পারস্য উপসাগরসংলগ্ন কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ কশেম ও খার্গ দ্বীপে নতুন করে একাধিক বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম। ভোরের দিকে সেখানে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান এই উত্তেজনার মধ্যে বাহরাইন সরকার জানিয়েছে, তারা সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে নাগরিকদের দ্রুত নতুন নির্দেশনা দেওয়া হবে।

সূত্র: আল জাজিরা ও মিডল ইস্ট আই।