বিখ্যাত সংগীত শিল্পী কুমার সানু মুন্সিগঞ্জের ছেলে
ভারতীয় সংগীত জগতের বিখ্যাত বাঙালি সংগীত শিল্পী কুমার সানু
পৈতৃক নিবাস ঢাকা জেলা বিক্রমপুর (বর্তমান মুন্সীগঞ্জের হাসাড়া)। কেদারনাথ ভট্টাচার্য (জন্ম: ২০ অক্টোবর ১৯৫৭), পেশাগতভাবে কুমার শানু নামে পরিচিত, একজন শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় প্লেব্যাক গায়ক। তিনি মূলত হিন্দি চলচ্চিত্রের গান গেয়ে থাকেন।
কুমার শানুর বাবা পশুপতি ভট্টাচার্য ছিলেন একজন কণ্ঠশিল্পী এবং সুরকার। তার পৈতৃক নিবাস এবং জন্মস্থান ছিল ঢাকা জেলা বিক্রমপুর পরগনা (বর্তমান মুন্সীগঞ্জ) হাসাড়া গ্রামে। জীবিকার সন্ধানে তিনি কলকাতায় চলে আসেন, সেখানে কুমার শানুর জন্ম হয়। তারা দুজন এবং শানুর বড় বোন বিপন্নয় পার্কের কাছে কলকাতার (সিঁথি এলাকায় থাকতেন।
কুমার শানু উত্তর কলকাতার সিঁথি এলাকার গোপাল বসু লেনের পৈতৃক নিবাসে থাকতেন। কিশোর কুমারের পরে অনেকেই বলিউড শৈলীর গানের অনুপ্রেরণা বলে ধরা হয়। পরবর্তীকালে তিনি নিজের শৈলীতে গান গাওয়া শুরু করেন।
তিনি ছিলেন ১৯৯০ সাল থেকে ২০০০ সালের মধ্যকার সেরা গায়ক।
কুমার শানু ২১০০০টিরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন। তিনি একজন প্লেব্যাক গায়ক। তিনি ১৯৯০-এর দশকে তার সুরেলা পরিবেশনের জন্য পরিচিত। তার কিছু গানের মধ্যে রয়েছে:
মিঠু বেচারা (১৯৯১) থেকে “জনম মেরি জনম”
বেওয়াফা সনম (১৯৯৫) থেকে “ও দিন তোরে কে হস্তি হো মেরা”
ইমতিহান (১৯৯৪) থেকে “ইস তারাহ আশিকি কা”
আঁখেলে হাম আঁখেলে তুম (১৯৯৫) থেকে “দিল মেরা চুরায়া কিউ”
কুমার শানুর বেশ কয়েকটি পুরস্কার এবং কৃতিত্ব রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত সেরা পুরুষ প্লেব্যাক গায়কের জন্য টানা পাঁচটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার।
১৯৯৩ সালে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক গান (২৮টি গান) রেকর্ড করার জন্য গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম ওঠে।
তিনি ১৯৯০ সালে আশিকিতে গান গাওয়ার জন্য বিখ্যাত হয়েছিলেন।
শানুর গানে সবচেয়ে ভালো লিপ দিতে পারতেন খবি কাপুর, শাহরুখ খান।
৩১ মার্চ – কুমার শানু দিবস: আমেরিকায় এমন সম্মান অর্জনকারী প্রথম ভারতীয় গায়ক।


























