ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে শূন্যতা বাড়ছে, নতুন মুখ নিয়ে জোর আলোচনা

নিজস্ব সংবাদ :

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কাঠামোয় বিভিন্ন স্তরে নেতৃত্ব পরিচালনা করলেও সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম হিসেবে বিবেচিত হয় জাতীয় স্থায়ী কমিটি। দলীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ, রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ এবং সাংগঠনিক দিকনির্দেশনায় এই কমিটির ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের কাউন্সিলের আগে স্থায়ী কমিটির সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৯ জন। তবে সময়ের সঙ্গে নানা কারণে কয়েকটি পদ শূন্য হয়ে পড়ে। ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট পর্যন্ত এই ফোরামে সদস্য ছিলেন ১৬ জন। ওই সময় নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

পরবর্তী সময়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও প্রবীণ নেতা ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে দুটি পদ শূন্য হয়। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার পর মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্থায়ী কমিটির পদ থেকে সরে দাঁড়ান।

বর্তমানে বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রয়েছেন দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া সদস্য হিসেবে আছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

দলীয় অঙ্গনে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে শূন্য পদগুলোতে কারা যুক্ত হতে পারেন তা নিয়ে। ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কয়েকজন অভিজ্ঞ নেতার নাম সম্ভাব্য তালিকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন জাতীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসের প্রেক্ষাপটে বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে নতুন অন্তর্ভুক্তি দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে শূন্যতা বাড়ছে, নতুন মুখ নিয়ে জোর আলোচনা

আপডেট সময় ০২:৩১:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কাঠামোয় বিভিন্ন স্তরে নেতৃত্ব পরিচালনা করলেও সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম হিসেবে বিবেচিত হয় জাতীয় স্থায়ী কমিটি। দলীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ, রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ এবং সাংগঠনিক দিকনির্দেশনায় এই কমিটির ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের কাউন্সিলের আগে স্থায়ী কমিটির সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৯ জন। তবে সময়ের সঙ্গে নানা কারণে কয়েকটি পদ শূন্য হয়ে পড়ে। ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট পর্যন্ত এই ফোরামে সদস্য ছিলেন ১৬ জন। ওই সময় নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

পরবর্তী সময়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও প্রবীণ নেতা ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে দুটি পদ শূন্য হয়। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার পর মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্থায়ী কমিটির পদ থেকে সরে দাঁড়ান।

বর্তমানে বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রয়েছেন দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া সদস্য হিসেবে আছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

দলীয় অঙ্গনে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে শূন্য পদগুলোতে কারা যুক্ত হতে পারেন তা নিয়ে। ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কয়েকজন অভিজ্ঞ নেতার নাম সম্ভাব্য তালিকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন জাতীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসের প্রেক্ষাপটে বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে নতুন অন্তর্ভুক্তি দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।