ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার:

তথ্য উপদেষ্টা

দেশে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ এলপিজি মজুত করে জনঅসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেবেসরকার।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, গত আগস্টে দেশে এক লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে এ পর্যন্ত আমদানি হয়েছে এক লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন। সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী দেশে এলপিজির সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের বাজারে এলপিজির কোনো সংকট নেই বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররা। সম্প্রতি এলপিজির আমদানি, মজুত, সরবরাহ পরিস্থিতি ও বাজারদর পর্যালোচনায় আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তারা এ নিশ্চয়তা দেন।

পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও কোথাও কোথাও এলপিজির দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ যেন মজুত করে জনঅসন্তোষ সৃষ্টি না করেন, সে বিষয়ে মন্ত্রী সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছেন।

তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে পণ্যের বাজারে এক ধরনের জল্পনামূলক প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাবেও দাম বাড়ার প্রবণতা থাকতে পারে। সরকার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, ‘বিগত সময়ের চেয়ে নৈরাজ্যকর অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসেছে সরকার। বর্তমানে আগের তুলনায় সহিংসতা অনেকটাই কমে এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা আইন তৈরি হলে অপতথ্য অনেকটাই কমে আসবে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৭:০২:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ এলপিজি মজুত করে জনঅসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেবেসরকার।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, গত আগস্টে দেশে এক লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে এ পর্যন্ত আমদানি হয়েছে এক লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন। সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী দেশে এলপিজির সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের বাজারে এলপিজির কোনো সংকট নেই বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররা। সম্প্রতি এলপিজির আমদানি, মজুত, সরবরাহ পরিস্থিতি ও বাজারদর পর্যালোচনায় আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তারা এ নিশ্চয়তা দেন।

পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও কোথাও কোথাও এলপিজির দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ যেন মজুত করে জনঅসন্তোষ সৃষ্টি না করেন, সে বিষয়ে মন্ত্রী সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছেন।

তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে পণ্যের বাজারে এক ধরনের জল্পনামূলক প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাবেও দাম বাড়ার প্রবণতা থাকতে পারে। সরকার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, ‘বিগত সময়ের চেয়ে নৈরাজ্যকর অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসেছে সরকার। বর্তমানে আগের তুলনায় সহিংসতা অনেকটাই কমে এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা আইন তৈরি হলে অপতথ্য অনেকটাই কমে আসবে।’