ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ

নিজস্ব সংবাদ :

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতির পর স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে তাঁকে বহনকারী টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটরশোভাযাত্রায় তাঁকে নিউইয়র্কের হাইয়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল হোটেলে নেওয়া হয়। সফরকালে সেখানেই অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে নিউইয়র্কে অবস্থানরত বিএনপি নেতা-কর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। বিমানবন্দর থেকে হোটেল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন নিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান তারা। নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসসহ বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাতেও এ উপলক্ষে নানা আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশ নিচ্ছে। সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হিসেবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে তাঁর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে তাঁর প্রথম ভাষণ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কারের মতো বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।

ব্যস্ত কর্মসূচিতে কাটবে নিউইয়র্ক সফর

সফরের প্রথম পূর্ণ দিন ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দেওয়া বিশ্বনেতা ও তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ইউএনজিএর উদ্বোধনী পর্বে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় ও সৌজন্য বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

এদিন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ের ফিলস-আইমের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন তিনি। সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি সাইড ইভেন্টে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন ও ন্যায্য রূপান্তর নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ এবং ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে। বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ড. ব্রেন্ডন নেলসনের সঙ্গেও বৈঠক ও চুক্তি স্বাক্ষরের কর্মসূচি রয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর হবে সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে।

এদিন মাতৃ ও নবজাতকের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু কমানো নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানেও বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর নিউইয়র্ক সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেওয়ার সূচি রয়েছে। তাঁর বক্তব্যের জন্য ১৫ মিনিট সময় নির্ধারিত আছে, যদিও সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে।

২৫ সেপ্টেম্বর ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট প্রিন্স জায়েদ আল হুসেইনের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।

সফর শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টার দিকে এমিরেটসের ফ্লাইটে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সূচি অনুযায়ী ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অংশগ্রহণের কারণে এবারের সফরটি বাংলাদেশের কূটনৈতিক কার্যক্রমের দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। জাতিসংঘের মূল অধিবেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরার সুযোগ থাকছে তাঁর সামনে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ

আপডেট সময় ০২:৩৭:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতির পর স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে তাঁকে বহনকারী টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটরশোভাযাত্রায় তাঁকে নিউইয়র্কের হাইয়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল হোটেলে নেওয়া হয়। সফরকালে সেখানেই অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে নিউইয়র্কে অবস্থানরত বিএনপি নেতা-কর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। বিমানবন্দর থেকে হোটেল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন নিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান তারা। নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসসহ বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাতেও এ উপলক্ষে নানা আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশ নিচ্ছে। সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হিসেবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে তাঁর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে তাঁর প্রথম ভাষণ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কারের মতো বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।

ব্যস্ত কর্মসূচিতে কাটবে নিউইয়র্ক সফর

সফরের প্রথম পূর্ণ দিন ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দেওয়া বিশ্বনেতা ও তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ইউএনজিএর উদ্বোধনী পর্বে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় ও সৌজন্য বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

এদিন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ের ফিলস-আইমের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন তিনি। সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি সাইড ইভেন্টে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন ও ন্যায্য রূপান্তর নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ এবং ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে। বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ড. ব্রেন্ডন নেলসনের সঙ্গেও বৈঠক ও চুক্তি স্বাক্ষরের কর্মসূচি রয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর হবে সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে।

এদিন মাতৃ ও নবজাতকের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু কমানো নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানেও বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর নিউইয়র্ক সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেওয়ার সূচি রয়েছে। তাঁর বক্তব্যের জন্য ১৫ মিনিট সময় নির্ধারিত আছে, যদিও সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে।

২৫ সেপ্টেম্বর ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট প্রিন্স জায়েদ আল হুসেইনের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।

সফর শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টার দিকে এমিরেটসের ফ্লাইটে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সূচি অনুযায়ী ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অংশগ্রহণের কারণে এবারের সফরটি বাংলাদেশের কূটনৈতিক কার্যক্রমের দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। জাতিসংঘের মূল অধিবেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরার সুযোগ থাকছে তাঁর সামনে।