ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সমুদ্রের তলদেশে ডাকবাক্স, বছরে জমা পড়ে দেড় হাজারের বেশি চিঠি!

কাগজের খবর ডেস্ক:

সমুদ্রের তলদেশে ডাকবাক্স

সাধারণত ডাকবাক্স রাস্তার পাশে কিংবা ডাকঘরের সামনে দেখা যায়। কিন্তু জাপানে এমন একটি ডাকবাক্স রয়েছে, যেখানে চিঠি পাঠাতে হলে ডুব দিতে হয় সমুদ্রের গভীরে! দেশটির সুসামি উপসাগরের তলদেশে বসানো এই ব্যতিক্রমী ডাকবাক্সে ১৯৯৯ সাল থেকে প্রতিবছর জমা পড়ছে দেড় হাজারেরও বেশি চিঠি। পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে তৈরি এই ডাকবাক্স এখন চিঠি পাঠানোর এক অভিনব অভিজ্ঞতা।

জাপানের ওয়াকায়ামা প্রিফেকচারের সুসামি উপকূলের কাছে সমুদ্রের তলদেশে স্থাপন করা হয়েছে এই বিশেষ ডাকবাক্স। সাধারণ ডাকবাক্সের মতো এটি কোনো রাস্তার পাশে কিংবা ডাকঘরের সামনে রাখা নয়। বরং চিঠি পাঠাতে হলে সমুদ্রের পানির নিচে ডুব দিয়ে সেখানে পৌঁছাতে হয়।

ডাকবাক্সটি সমুদ্রের তলদেশে শক্তভাবে স্থাপন করা হয়েছে। জাপান পোস্টও এটিকে চিঠি পাঠানো ও গ্রহণের ডাকবাক্স হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

১৯৯৯ সালে স্থানীয় পর্যটনশিল্পের প্রসার এবং এলাকায় আরও বেশি পর্যটক আকৃষ্ট করার উশ্যে এটি স্থাপন করা হয়। ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগের ফলে সমুদ্রের নিচে চিঠি পাঠানোর অভিজ্ঞতা নিতে আগ্রহী মানুষের কাছে জায়গাটি বিশেষ আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ডাকবাক্সটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে এর অভিনব বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন অনেকে।

প্রিয়জনের কাছে মনের কথা পৌঁছে দিতে পোস্টকার্ডের ব্যবহার বহু পুরোনো। তুলনামূলক কম খরচে ছোট্ট একটি বার্তার মাধ্যমে বন্ধু কিংবা বিদেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের কাছে স্মরণীয় মুহূর্তের কথা জানানো যায়।

তথ্যসূত্র: সামা টিভি

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সমুদ্রের তলদেশে ডাকবাক্স, বছরে জমা পড়ে দেড় হাজারের বেশি চিঠি!

আপডেট সময় ০৬:০২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

সাধারণত ডাকবাক্স রাস্তার পাশে কিংবা ডাকঘরের সামনে দেখা যায়। কিন্তু জাপানে এমন একটি ডাকবাক্স রয়েছে, যেখানে চিঠি পাঠাতে হলে ডুব দিতে হয় সমুদ্রের গভীরে! দেশটির সুসামি উপসাগরের তলদেশে বসানো এই ব্যতিক্রমী ডাকবাক্সে ১৯৯৯ সাল থেকে প্রতিবছর জমা পড়ছে দেড় হাজারেরও বেশি চিঠি। পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে তৈরি এই ডাকবাক্স এখন চিঠি পাঠানোর এক অভিনব অভিজ্ঞতা।

জাপানের ওয়াকায়ামা প্রিফেকচারের সুসামি উপকূলের কাছে সমুদ্রের তলদেশে স্থাপন করা হয়েছে এই বিশেষ ডাকবাক্স। সাধারণ ডাকবাক্সের মতো এটি কোনো রাস্তার পাশে কিংবা ডাকঘরের সামনে রাখা নয়। বরং চিঠি পাঠাতে হলে সমুদ্রের পানির নিচে ডুব দিয়ে সেখানে পৌঁছাতে হয়।

ডাকবাক্সটি সমুদ্রের তলদেশে শক্তভাবে স্থাপন করা হয়েছে। জাপান পোস্টও এটিকে চিঠি পাঠানো ও গ্রহণের ডাকবাক্স হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

১৯৯৯ সালে স্থানীয় পর্যটনশিল্পের প্রসার এবং এলাকায় আরও বেশি পর্যটক আকৃষ্ট করার উশ্যে এটি স্থাপন করা হয়। ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগের ফলে সমুদ্রের নিচে চিঠি পাঠানোর অভিজ্ঞতা নিতে আগ্রহী মানুষের কাছে জায়গাটি বিশেষ আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ডাকবাক্সটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে এর অভিনব বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন অনেকে।

প্রিয়জনের কাছে মনের কথা পৌঁছে দিতে পোস্টকার্ডের ব্যবহার বহু পুরোনো। তুলনামূলক কম খরচে ছোট্ট একটি বার্তার মাধ্যমে বন্ধু কিংবা বিদেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের কাছে স্মরণীয় মুহূর্তের কথা জানানো যায়।

তথ্যসূত্র: সামা টিভি