ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি বজ্রপাতের ঘটনায় একই দিনে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদ :

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি বজ্রপাতের ঘটনায় একই দিনে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ভোমরাদহ ইউনিয়নের কুশারীগাঁও গ্রামে প্রথম ঘটনাটি ঘটে। পরে উপজেলার সেনুয়া ডাঙ্গীবস্তি এলাকায় বজ্রপাতে আহত এক গৃহবধূর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুশারীগাঁও গ্রামের একটি মুদি দোকানে কয়েকজন বসে কথা বলছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে সেখানে থাকা সবাই গুরুতর আহত হয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুদি দোকান মালিক মহেন রায়ের স্ত্রী শান্তি রানী এবং একই গ্রামের মৃত বেয়ারু রামের ছেলে সুয়ের রামকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় আহত টেপরা ও শাহলনের অবস্থার অবনতি হলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এদিকে একই দিন উপজেলার সেনুয়া ডাঙ্গীবস্তি এলাকায় বজ্রপাতে আহত হন রুনা নামে এক গৃহবধূ। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন প্রামাণিক জানান, বজ্রপাতের ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নিচ্ছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি বজ্রপাতের ঘটনায় একই দিনে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

আপডেট সময় ০৫:২৮:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি বজ্রপাতের ঘটনায় একই দিনে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ভোমরাদহ ইউনিয়নের কুশারীগাঁও গ্রামে প্রথম ঘটনাটি ঘটে। পরে উপজেলার সেনুয়া ডাঙ্গীবস্তি এলাকায় বজ্রপাতে আহত এক গৃহবধূর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুশারীগাঁও গ্রামের একটি মুদি দোকানে কয়েকজন বসে কথা বলছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে সেখানে থাকা সবাই গুরুতর আহত হয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুদি দোকান মালিক মহেন রায়ের স্ত্রী শান্তি রানী এবং একই গ্রামের মৃত বেয়ারু রামের ছেলে সুয়ের রামকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় আহত টেপরা ও শাহলনের অবস্থার অবনতি হলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এদিকে একই দিন উপজেলার সেনুয়া ডাঙ্গীবস্তি এলাকায় বজ্রপাতে আহত হন রুনা নামে এক গৃহবধূ। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন প্রামাণিক জানান, বজ্রপাতের ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নিচ্ছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে।