ঢাকা ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস্ট্রিক হলে কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন

কাগজের খবর ডেস্ক:

গ্যাস্ট্রিক হলে কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন

পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে কোনো কারণে ক্ষতি বা প্রদাহ তৈরি হওয়াকে বলা হয় ‘গ্যাস্ট্রাইটিস’। সাধারণ ভাষায় আমরা যাকে ‘গ্যাস্ট্রিক’ কিংবা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হিসেবে জেনে থাকি। নানা কারণেই এই জটিলতা দেখা দিতে পারে।

অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রে এই সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করে না এবং সঠিক চিকিৎসায় দ্রুত নিরাময় সম্ভব। তবে সময়মতো চিকিৎসা না করালে এই রোগ দীর্ঘমেয়াদে বছরের পর বছর ধরে কষ্ট দিতে পারে।

এ রোগের লক্ষণগুলো কী?

ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে এ রোগ হলে অনেকেরই কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। আবার কারো কারো নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারে: যেমন- বদহজম, পেট কামড়ানো বা পেটে জ্বালাপোড়া করা, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া ও খাওয়ার পর পেট ভরা ভরা মনে হওয়া।

পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষয় হয়ে (erosive gastritis) যদি তা পাকস্থলীতে থাকা অ্যাসিডের সংস্পর্শে চলে আসে, তখন উপরের লক্ষণগুলোর সঙ্গে ব্যথা, রক্তপাত, বা পাকস্থলীর আলসারের মত লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

এ লক্ষণগুলো হঠাৎ করেই তীব্রভাবে শুরু হতে পারে (acute gastritis) বা অনেকদিন ধরে ধীরে ধীরে হতে পারে (chronic gastritis)।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

আপনার যদি বদহজম থাকে, তাহলে আপনি নিজে নিজেই খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন করে অথবা অ্যান্টাসিড (antacid) এর মতো ওষুধ সেবন করে এর সমাধানের করার চেষ্টা করতে পারেন। তবে নিজে নিজে অ্যান্টাসিড খাওয়ার আগে এ ওষুধ আপনার জন্য নিরাপদ কিনা, কিভাবে সেবন করবেন আর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো অবশ্যই জেনে নেবেন।

আপনার বদহজমের লক্ষণগুলো এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে থাকে, অথবা বহজমের কারণে পেটে তীব্র ব্যথা বা অস্বস্তি বোধ হয়, কোনো ওষুধের কারণে সমস্যাগুলো হচ্ছে বলে মনে হয়, বমি বা পায়খানার সঙ্গে রক্ত যায় ও পায়খানা কালচে হয় বা বমির সাথে কফি দানার মত কিছু আসে তবেই একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

 

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্যাস্ট্রিক হলে কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন

আপডেট সময় ০৭:৩১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে কোনো কারণে ক্ষতি বা প্রদাহ তৈরি হওয়াকে বলা হয় ‘গ্যাস্ট্রাইটিস’। সাধারণ ভাষায় আমরা যাকে ‘গ্যাস্ট্রিক’ কিংবা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হিসেবে জেনে থাকি। নানা কারণেই এই জটিলতা দেখা দিতে পারে।

অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রে এই সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করে না এবং সঠিক চিকিৎসায় দ্রুত নিরাময় সম্ভব। তবে সময়মতো চিকিৎসা না করালে এই রোগ দীর্ঘমেয়াদে বছরের পর বছর ধরে কষ্ট দিতে পারে।

এ রোগের লক্ষণগুলো কী?

ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে এ রোগ হলে অনেকেরই কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। আবার কারো কারো নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারে: যেমন- বদহজম, পেট কামড়ানো বা পেটে জ্বালাপোড়া করা, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া ও খাওয়ার পর পেট ভরা ভরা মনে হওয়া।

পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষয় হয়ে (erosive gastritis) যদি তা পাকস্থলীতে থাকা অ্যাসিডের সংস্পর্শে চলে আসে, তখন উপরের লক্ষণগুলোর সঙ্গে ব্যথা, রক্তপাত, বা পাকস্থলীর আলসারের মত লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

এ লক্ষণগুলো হঠাৎ করেই তীব্রভাবে শুরু হতে পারে (acute gastritis) বা অনেকদিন ধরে ধীরে ধীরে হতে পারে (chronic gastritis)।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

আপনার যদি বদহজম থাকে, তাহলে আপনি নিজে নিজেই খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন করে অথবা অ্যান্টাসিড (antacid) এর মতো ওষুধ সেবন করে এর সমাধানের করার চেষ্টা করতে পারেন। তবে নিজে নিজে অ্যান্টাসিড খাওয়ার আগে এ ওষুধ আপনার জন্য নিরাপদ কিনা, কিভাবে সেবন করবেন আর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো অবশ্যই জেনে নেবেন।

আপনার বদহজমের লক্ষণগুলো এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে থাকে, অথবা বহজমের কারণে পেটে তীব্র ব্যথা বা অস্বস্তি বোধ হয়, কোনো ওষুধের কারণে সমস্যাগুলো হচ্ছে বলে মনে হয়, বমি বা পায়খানার সঙ্গে রক্ত যায় ও পায়খানা কালচে হয় বা বমির সাথে কফি দানার মত কিছু আসে তবেই একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন।